‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’র নাম পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান। ছবি: সমকাল
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬ | ১৭:২৯
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের পাশে অবস্থিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’র নাম পুনর্বহালের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের সময় জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটি একটি প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। বিষয়টি পর্যালোচনা করে আগের নাম পুনর্বহালের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শুক্রবার দুপুরে নগরের চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স (স্বাধীনতা কমপ্লেক্স) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হতে চলছে। আপনারা দেশপ্রেমিক হোন। আপনাদের যে ভূমিকা, স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের মানুষ তা দেখেছে। আপনারা অনুতপ্ত হোন। আপনারা ক্ষমা প্রার্থনা করুন এবং এই দেশটাকে গড়ার জন্য সহযোগিতা করুন।
তিনি বলেন, শুধু জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সই নয়, পুরোনো সার্কিট হাউসে সংরক্ষিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত নিদর্শন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সংগ্রহ যাতে নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। যথাযথভাবে সংস্কার সম্পন্ন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন নিদর্শন ও স্মারক এখানে সংরক্ষণ করা হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়া; ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর ভূমিকা দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাদুঘরের অনেক কক্ষ বর্তমানে খালি রয়েছে, কারণ সেগুলো সংস্কারের আওতায় রয়েছে। সংস্কার শেষে সেখানে জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচিহ্ন ও বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
