ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

দিল্লিতে আগুনে দগ্ধ বাংলাদেশির মৃত্যু

ভগ্নিপতির চিকিৎসায় গিয়ে ফিরছেন লাশ হয়ে

ভগ্নিপতির চিকিৎসায় গিয়ে ফিরছেন  লাশ হয়ে
×

নুরুল আমিন সোহাগ

 কুমিল্লা প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ | ০৮:১৬ | আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬ | ০৮:৫৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেনের দুটি কিডনিই অকেজো। কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য তাঁকে ভারতের দিল্লিতে নিয়ে যান কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের নুরুল আমিন সোহাগ। সঙ্গে বোন ছাড়াও কিডনিদাতা আরও দুই স্বজন ছিলেন। দিল্লির হোটেলে গত বুধবার অগ্নিকাণ্ডে তারা পাঁচজনই দগ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সোহাগ মারা যান।

নিহত নুরুল আমিন সোহাগের (৪৭) বাড়ি চৌদ্দগ্রামের চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামে। তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতেই আরেক ভগ্নিপতি কবির আহমেদ ও মোশারফ হোসেনের ছোট ভাই হুমায়ুন কবির পাটোয়ারি ভারতের উদ্দেশে রওনা হন। 
কবির আহমেদ বাচ্চু গতকাল শুক্রবার মোবাইল ফোনে সমকালকে বলেন, ‘আগুনের খবর পাওয়ার পর থেকে আমরা খুব চিন্তায় ছিলাম। এর মধ্যেই ভারত থেকে মোবাইলে সোহাগের মৃত্যুর খবর আসে। কে জানত আমরা তাঁর লাশ ফিরে পাব?’

নিহত নুরুল আমিন এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তাঁর বড় বোন রেহানা আক্তার ও ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন ছাড়া আগুনে দগ্ধ অন্য দুজন হলেন চাচাতো বোন উম্মে জোহরা ও জোহরার মেয়ে উম্মে জাইমা। দুজনই কিডনিদাতা হিসেবে তাঁদের সঙ্গে গত ২ জুন বিমানযোগে ভারতে গিয়েছিলেন। দগ্ধ চারজনকেই নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। 
কবির আহমেদ জানান, দগ্ধ চারজনই দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে। তবে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। 
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজের এক পোস্টে জানানো হয়, দিল্লির আগুনের ঘটনায় হতাহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সার্বক্ষণিকভাবে খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন

×