হল জিএসকে হেনস্তার অভিযোগ রাকসু জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে
রাবি সংবাদদাতা
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬ | ২৩:০৮
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখার সময় নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আম্মার।
গত বুধবার রাত ১০টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নুরুল ইসলাম শহিদ। পোস্টে তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখতে তিনি তাঁর হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শহীদ হবিবুর রহমান হল মাঠে যান। খেলার প্রায় ৩০ মিনিটের সময় রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাঁকে তাদের পাশে বসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে দড়ি দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন।
তিনি আরও দাবি করেন, সেখানে বসার প্রায় এক মিনিট পর রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি এসে তাঁকে সেখান থেকে সরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তাঁর গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখানে কেউ অবস্থান করতে পারবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে তাঁকে জোরপূর্বক ওই স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয়।
এসব অভিযোগ নিয়ে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি তাঁর গায়ে স্পর্শও করিনি। তাঁর টি-শার্টেও হাত দিইনি। তিনি আমার প্রতি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তার জবাবও আমি দিইনি। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থেই তাঁকে স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ করা হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাকসুর আয়োজনে খেলার সময় সবাইকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঠের বাঁ পাশে ছাত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে স্ক্রিনের সামনে কেউ অবস্থান করলে তাদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল।’
এ বিষয়ে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘দড়ির ভেতরে বসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও বাগ্বিতণ্ডা হয়।’ সেখানে খেলা দেখার পরিবেশ-শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি থামিয়ে দিয়েছি। তবে বিরোধের মূল কারণ সম্পর্কে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।'
