‘রাবির কাছে বড়কুঠি হস্তান্তরের চেষ্টা করা হবে’
মিজানুর রহমান মিনু
রাবি সংবাদদাতা
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৫৭
| প্রিন্ট সংস্করণ
বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কাছে হস্তান্তর করার চেষ্টা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, বড়কুঠি রাজশাহী অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। এটি রাজশাহীবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। এখান থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় রয়েছে। আমরা বড়কুঠিকে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করার চেষ্টা করব।
গতকাল সোমবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পারিবারিক ফান্ড থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদানে ঘোষণা দেন ভূমিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেন। আমি আমার বাবা ফয়েজ রহমানের নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা দেব। এ টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করার অনুরোধ করব।’ আবাসন সংকট নিরসনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উপাচার্য তাঁর কাছে আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আন্তরিক। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ভবনসহ সব সংকট দ্রুত নিরসন হবে। খুব শিগগিরই তিনি এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবেন।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশন প্রশাসন ও সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ মো. শফিকুল হক মিলন, রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
- বিষয় :
- মিজানুর রহমান মিনু