ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণাঞ্চলের ১২ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, প্লাবিত চরাঞ্চল

দক্ষিণাঞ্চলের ১২ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, প্লাবিত চরাঞ্চল
×

বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের কীর্তণখোলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ড্রেনের মাধ্যমে নগরীর কয়েকটি সড়কেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করে। ছবি-সমকাল

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬ | ২০:১৮

দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি টানা তিন দিন ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জোয়ারের সময় অন্তত ১২টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল নগরীর কীর্তণখোলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ড্রেনের মাধ্যমে নগরীর কয়েকটি সড়কেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী দুই দিন পানি আরও কিছুটা বাড়তে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি বিজ্ঞান বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। পাউবো মেঘনা, তেঁতুলিয়া, বিষখালীসহ বিভিন্ন নদীর ১৩টি পয়েন্টে পানির উচ্চতা পর্যবেক্ষণ করছে। বুধবার জোয়ারের সময় আটটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও বৃহস্পতিবার তা বেড়ে ১১টি পয়েন্টে পৌঁছেছে। তবে ভাটার সময় অধিকাংশ স্থানে পানির উচ্চতা আবার বিপৎসীমার নিচে নেমে যায়।

তিনি আরও জানান, অমাবস্যার প্রভাবে আগামী দুই দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে এবং পানির উচ্চতা আরও কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, জোয়ারের সময় বরিশালের কীর্তণখোলা, ঝালকাঠীর সুগন্ধা ও বিষখালী, ভোলার তেঁতুলিয়া, মেঘনা ও সুরমা, পিরোজপুরের বলেশ্বর ও কচা, বরগুনার বিষখালী ও খাগদোন এবং পটুয়াখালীর পায়রা ও শ্রীমন্ত নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. আনিচুর রহমান জানান, দক্ষিণাঞ্চলে বর্তমানে কোনো নিম্নচাপ বা লঘুচাপ নেই এবং আবহাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সাগর উত্তাল থাকায় সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর এবং নৌবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×