ঢাকা রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' থেকে বাঁচতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে বাগেরহাটবাসী

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' থেকে বাঁচতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে বাগেরহাটবাসী
×

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' থেকে বাঁচতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে বাগেরহাটবাসী- সমকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট

প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:১১

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল'-এর প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় উপজেলা মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, মোংলা ও রামপালের বাসিন্দারা। কেউ কেউ আবার নিকটাত্মীয়ের বাসায়ও যাচ্ছে বুলবুলের তাণ্ডব থেকে বাঁচতে। 

শনিবার সন্ধ্যার আগ থেকে বৃষ্টি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রেও ভিড় বাড়তে থাকে। নিজ বাড়ি ছেড়ে সবাই যেতে থাকে আশ্রয়কেন্দ্রে। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার মানুষ জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। তবে আশ্রয়কেন্দ্রে সুপেয় পানি, খাবার ও পয়ঃনিস্কাশনের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আশ্রয়প্রার্থীরা।

মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, মোংলা ও রামপালের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রেও মানুষ যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন আশা করছে সন্ধ্যার পরে রাত গভীর হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সব মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসবে।

রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান মিলন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের খবর পাওয়ার পর থেকে আমরা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রেখেছি। এলাকার অনেক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছে। অন্য যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে তাদেরও আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্বেচ্ছাসেবক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুল ইসলাম বলেন, বুলবুলের ক্ষতি এড়াতে ৩৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। লোকজন দুপুর থেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া শুরু করেছে। আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। আশা করছি তাদের কোনো সমস্যা হবে না।

আরও পড়ুন

×