ঢাকা রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাল স্বাক্ষর-ভুয়া বোর্ড, চিলমারীর ৪ মাদ্রাসা প্রধানের বেতন বন্ধ

জাল স্বাক্ষর-ভুয়া বোর্ড, চিলমারীর ৪ মাদ্রাসা প্রধানের বেতন বন্ধ
×

ফাইল ছবি

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৫৯

জাল স্বাক্ষর ও নিয়োগ বোর্ড গঠনের মাধ্যমে ফলাফল শিট তৈরির অভিযোগে চিলমারী উপজেলার সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জার বেতন-ভাতা স্থগিত করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তাঁকে সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর অধিদপ্তরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগে উপজেলার আরও তিনটি মাদ্রাসার দুই সুপার ও দুই অধ্যক্ষের বেতন-ভাতা বন্ধ এবং তাদের শোকজ করা হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোনারীপাড়া মাদ্রাসায় ‘মাসুদ রানা’ নামের এক ব্যক্তিকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই নিয়োগে মহাপরিচালকের (ডিজি) প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল, ভুয়া চিঠি প্রস্তুত এবং জাল নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট তৈরি করা হয়। গত আগস্টে মাসুদ রানার নতুন এমপিওভুক্তির আবেদনের যাচাই-বাছাইয়ের সময় এসব অনিয়ম ধরা পড়ে। পরে তাঁর এমপিও আবেদন বাতিল করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাদ্রাসা সুপার ইস্কেন্দার মির্জার আগস্ট মাসের বেতন-ভাতা স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন, তা জানতে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ জুন একই অভিযোগে চিলমারীর আরও তিনটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠান প্রধানের বেতন-ভাতা স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তারা হলেন– রাজারভিটা ইসলামিয়া মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রফিকুর ইসলাম, কুটিরগ্রাম এম এইচ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহফুজার রহমান খন্দকার এবং চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নাজমুল হক।

অভিযোগের বিষয়ে সোনারীপাড়া মাদ্রাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম মেনে ডিজি প্রতিনিধি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ইউএনওর উপস্থিতিতে নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে। আমার বেতন কেন বন্ধ করা হয়েছে, তা জানা নেই।’

‘অভিযোগের বিষয়ে মো. রফিকুর ইসলাম, মো. মাহফুজার রহমান খন্দকার ও মো. নাজমুল হকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।’

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অধিদপ্তর থেকে হয়তো তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

×