সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি মহল: আইনমন্ত্রী
১১১৫ জনকে সরাসরি চাকরি
যশোরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
যশোর অফিস
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৩:১৮
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী এনেছি। কিন্তু এটা নিয়ে কেউ কেউ বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। অনেকে বলছেন এটা হেবা আইনের লঙ্ঘন। আমরা জানি হেবা আইনে স্পর্শ করার ক্ষমতা কারও নেই। আমরা শুধু ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধন এনেছি। সেই সংশোধনে পরিষ্কারভাবে বলা আছে, হেবা আইন কিংবা অন্য কোনো আইনে এই সংশোধনী বাধাগ্রস্ত হবে না। এটা নিয়ে একটা রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন তারা।
আজ শনিবার বিকেলে পিটিআই হলরুমে চাকরি মেলা সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চাকরি মেলা থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আজ সরাসরি যে এক হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দিল এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এটা সরকারের অঙ্গীকার পূরণের অন্যতম একটি মাইলফলক হিসেবে থাকবে। কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিন হাজার জনকে চাকরি দেবে। বর্তমানে মাইক্রোক্রেডিট সেক্টরে আড়াই লাখ মানুষ চাকরি করে। আশা করি, আগামী এক বছরের মধ্যে এটি সাড়ে তিন লাখে দাঁড়াবে।
‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে’– এ প্রতিপাদ্য নিয়ে চাকরি মেলার আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। আয়োজক সংগঠনের এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ চাকরি মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
দিনব্যাপী চাকরি মেলায় ৩৬টি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তারা ২২ হাজার আবেদনের বিপরীতে এক হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দিয়েছে। প্রধান অতিথির হাত থেকে চাকরিপ্রাপ্তরা নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।
- বিষয় :
- যশোর
- আইনমন্ত্রী
- চাকরি