ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

আটক ১, মামলা নিতে গড়িমসির অভিযোগ

আটক ১, মামলা নিতে গড়িমসির অভিযোগ
×
×

 কিশোরগঞ্জ ও কটিয়াদী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | ০৯:৫০

| প্রিন্ট সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের ছেলে ছুরিকাহত শাহরিয়ার জামান রানা আশঙ্কামুক্ত। এদিকে অভিযোগ দায়েরের পর মামলা নথিভুক্ত করতে কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। ছুরিকাঘাতের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।   
এ হামলার জন্য স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজনের বক্তব্যে হামলার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়টি উঠে এসেছে। 

হামলার ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে কটিয়াদী থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আখতারুজ্জামান। একই ঘটনায় লিটন (২৫) নামে এক যুবককে আটকের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

আখতারুজ্জামান অভিযোগ করেন, থানায় এজাহার জমা দেওয়ার পরও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করতে গড়িমসি করছেন। তিনি বলেন, হামলাকারীদের নাম দেওয়ার পরও ওসি তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন। অথচ মামলা নথিভুক্ত করেননি। এ বিষয়ে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ চান।

আখতারুজ্জামান বলেন, ‘যারা হামলা করেছেন, তারা আমার সঙ্গেও ছবি তুলতেন। এখন বিএনপির বর্তমান সংসদ সদস্যসহ অন্য নেতাদের সঙ্গেও ছবি তোলেন। তারা আসলে বিএনপির প্রকৃত কোনো কর্মী নন। বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্যও জানিয়েছেন, তারা দলের কেউ নন। অথচ ওসি তাদের বিএনপির লোক বানিয়ে মামলা নিতে অনীহা দেখাচ্ছেন।’
আখতারুজ্জামান আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর থেকে তাঁকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি তিনি থানার ওসিকেও জানিয়েছেন।
এজাহার জমা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তেজনার মধ্যে এজাহার দেওয়া হয়েছে। এতে কিছু অসংগতি রয়েছে বলে মনে হয়েছে। সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে। 
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন সমকালকে বলেন, হামলাকারীরা বিএনপির কেউ নন। ঘটনার রাতে তিনি বকুল মিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। বকুল মিয়ার ওষুধের দোকানেই রানাকে ছুরিকাঘাতের ওই ঘটনা ঘটে।

জালাল উদ্দিন জানান, বিকেলে কয়েকজন যুবক একটি জায়গায় জড়ো হয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় তারা সেখানে কী করছেন, তা জানতে চান রানা। এক পর্যায়ে এক যুবককে চড় মারেন। পরে ওই যুবকের চাচা আজিজুল হক রাতে ওষুধের দোকানে গিয়ে রানাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। তার সঙ্গে আরও তিন-চারজন ছিলেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

×