ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

নারীর জন্য নিরাপদ সুবর্ণচর গড়ার অঙ্গীকার

নারীর জন্য নিরাপদ সুবর্ণচর গড়ার অঙ্গীকার
×

 নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৬:১১

নারীর জন্য নিরাপদ সুবর্ণচর গড়ে তুলতে শপথ নিয়েছে তরুণ-তরুণীসহ স্থানীয় পাঁচ শতাধিক মানুষ। সোমবার দুপুরে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সৈকত সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে আমরা’ শীর্ষক এক প্রজন্ম সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা এই শপথ নেয়।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে  অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ এবং পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রাণ) যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে। ধর্ষণ, যৌন হয়রানিসহ নারীর প্রতি বিভিন্ন ধরনের সহিংস ঘটনাগুলোর প্রেক্ষাপটে এর কারণ, করণীয় এবং স্থানীয় জনগণ ও সেবাপ্রদানকারী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি নিয়ে আলোচনা হয় সংলাপে।

বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময় থেকে এই অঞ্চলে সংঘঠিত ধর্ষণ, যৌন হয়রানিসহ নারীর প্রতি বিভিন্ন ধরণের সহিংসতার ঘটনা দেশব্যপী ব্যাপকভাবে সমালোচনা  সৃষ্টি হয়। চলমান এই সহিংসতার কারণ, করণীয় এবং স্থানীয় জনগণ ও সেবাপ্রদানকারী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে একটি সমন্বিত পথনকশা তৈরির লক্ষ্যে এ আয়োজন।

সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একশান এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীষা, সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএসএম ইবনুল হাসানসহ অনেকে।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস বলেন, বর্তমান প্রজন্ম নানা ধরনের সমস্যা ও সহিংসতার সম্মুখীন যেমন হচ্ছে, অন্যদিকে তাদের কাছেই রয়েছে সময়োপযোগী সমাধান। সহিংসতা রোধের শুরু হতে হবে ঘর থেকেই। নারীর প্রতি আচরণ, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান পারিবারিক শিক্ষার অংশ। আমাদের বিবেককে জাগ্রত করতে হবে। নারীকে দেখতে হবে মানুষ হিসেবে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয় মন্তব্য করে জেলা প্রশাসক বলেন, সকল প্রকার অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের প্রধান ফারাহ কবির বলেন, আমরা এখনও চিন্তা করি যে নারীর কাপড়ের কারণে সহিংসতা হয়। এমন চিন্তা করার এখন আর সময় নেই। এখন চিন্তা করতে হবে আমরা কেন এমন চিন্তা করি। ধর্ষণের শিকার নারীকেই আমরা দোষ দেই, পার পেয়ে যায় ধর্ষণকারী। ধর্ষণকারীকে আমরা গ্রহণ করি বলেই আমাদের এই অবস্থা।

আরও পড়ুন

×