ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

গুজব ও বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ জরুরি: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক

গুজব ও বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ জরুরি: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক
×
×

মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। ছবি: ফাইল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:২২

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ শনিবার গাজীপুরের পূর্ব চান্দরা কালী ও দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেছেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রান্তিক পর্যায়ের পূজামণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার-ভিডিপি সদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং পূজারিদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে তিনি পূজামণ্ডপে যান। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনে গিয়ে মহাপরিচালক বলেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে দুই লাখ ১২ হাজারের বেশি আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় ১০৪টি স্ট্রাইকিং টিম সারাদেশে কাজ করছে। প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার আওতায় তথ্য প্রদানকারী, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে সংযুক্ত রয়েছেন ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপে। এর ফলে মাঠপর্যায়ের তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান, পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো গোষ্ঠী যাতে গুজব, উসকানি কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ধৈর্য, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সব ধরনের বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে উৎসবের স্বাভাবিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

বাহিনীর জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি কর্মহীন তরুণ–তরুণীদের আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন দক্ষতাভিত্তিক ও আয়বর্ধক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে আত্মকর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ বেকারত্ব হ্রাস, জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন

×