বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের বিবৃতি কূটনৈতিক শিষ্টাচার বর্হিভূত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন -ফাইল ছবি
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ মে ২০২০ | ০৭:৫৫ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
বাংলাদেশে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার আহবান জানিয়ে ঢাকায় কর্মরত সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূতের টুইট বার্তকে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
আব্দুল মোমেন বলেন, পৃথিবীতে কোনো দেশে রাষ্ট্রদূতদের জটলা করে এমনভাবে বিবৃতি দিতে দেখিনি। এটা খুবই দুঃখজনক। তাদের যা বলা উচিত কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে বলা উচিত। তাদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে তা প্রটোকল অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাতেই পারতেন। কিন্তু সেটা না করে তারা প্রকাশ্যে বিবৃতি দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে তারা একঅর্থে রাজনীতির মহড়ায় চলে গেছেন। । তারা কি এ দেশে রাজনীতি করবেন? এ দেশে নির্বাচন করবেন? নাকি অন্য কোনো কিছু?
তিনি আরও বলেন, আমি খুশি হতাম যদি এই রাষ্ট্রদূতেরা জটলা করে বলতেন, রাখাইনে যুদ্ধ হচ্ছে, এটা বন্ধ হওয়া উচিত।
এরআগে গত ৭ মে করোনা ভাইরাস মহামারি চলাকালে বাস্তবভিত্তিক তথ্য প্রচারের জন্য গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর জোর দেন ঢাকায় নিযুক্ত সাতজন বিদেশি রাষ্ট্রদূত। তারা নিজ নিজ টুইটার থেকে এ নিয়ে টুইট করেন ।
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনেসে তিরিঙ্ক, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোটা শ্লাইটার, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি পিটারসন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিসেল ব্লিকেন ও নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারিভারওয়েজ টু্ইটারে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় জোর দেন।
শুক্রবার এক টুইট বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর প্রিন্সিপ্যিাল ডেপুটি অ্যাসিস্যান্ট সেক্রেটারি এলিস ওয়েলস এক টুইট বার্তায় বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের নতুন করে গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।