ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
×

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৫৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে।

মৃত্যুর চার দিন পর ২৮ জানুয়ারি কোকোর মরদেহ দেশে আনা হয়। ওই দিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। সকাল ১০টায় বনানী করবস্থানে কোরআন তেলাওয়াত ও কবর জিয়ারত করবেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। বাদ আসর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল হবে।

আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম ১৯৬৯ সালে ঢাকায়। বিএফ শাহীন কলেজে লেখাপড়া করেন তিনি। ১৯৬৯ সালে জিয়াউর রহমান সপরিবারে ঢাকায় চলে এলে কিছু দিন জয়দেবপুরে থাকার পর বাবার চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় বসবাস শুরু করেন কোকো।
২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি। এ ছাড়া ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে। ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার জন্য সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি। এরপর চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া চলে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই সপরিবারে বাস করছিলেন। তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।

কোকোর জন্মের কিছুদিন পরই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তাঁর বাবা তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর ১৬ মে ১৯৭১ সালে নৌপথে খালেদা জিয়া দুই পুত্রসহ ঢাকায় চলে আসেন। ২ জুলাই ১৯৭১ সালে সিদ্ধেশ্বরীতে পাকিস্তানি সেনারা তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ খালেদা জিয়াকে আটক করে। ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি ছিলেন তারা। ১৬ ডিসেম্বর মা-ভাইসহ কোকোও মুক্তি পান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে নিহত হওয়ার পর খালেদা জিয়ার একক স্নেহ, ভালোবাসা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে বড় হয়ে ওঠেন কোকো।

রাজনৈতিক পরিবারে তাঁর জন্ম হলেও তিনি রাজনীতিক হিসেবে নয়, একজন ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন। ব্যবসা, ক্রীড়া ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেই নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রেখেছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে ২০০৩ সালে কাজ শুরু করেছিলেন কোকো।

আরও পড়ুন

×