ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি

এ থেকে প্রতীয়মান হয়, আমরা কত অরক্ষিত: শামা ওবায়েদ

এ থেকে প্রতীয়মান হয়, আমরা কত অরক্ষিত: শামা ওবায়েদ
×

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬ | ১৯:৫০ | আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬ | ২০:১২

লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ প্রবেশের চেষ্টায় বাংলাদেশিসহ ২২ জনের মৃত্যু প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী  শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এ ঘটনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশিরা কত অরক্ষিত। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিফ্রিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সাগরপথে লিবিয়া থেকে ইতালিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস গ্রিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। মানবপাচারকারী লিবিয়ায় আছে বাংলাদেশেও আছে। ধারণা করছি, এটি একটি চক্র, যারা বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিপদে ফেলে, প্রলোভন দিয়ে টাকা-পয়সা নেয়।

ভূমধ্যসাগরে সাম্প্রতিক মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে কয়েকটি দেশের নাগরিক ছিল, তার মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিল, এক নারী ও একটি শিশুও ছিল। কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং কাউকে কাউকে ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, দূতাবাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে। গ্রিসের নিয়মকানুন মেনে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এই ঘটনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আমরা কত অরক্ষিত অবস্থায় আছি। মানবপাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

ছয় থেকে সাত দিন তাদের কাছে খাবার ছিল না মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নৌকায় মারা গেছে, তাদের ফেলে দেওয়া হয়েছে পানিতে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা এমনিতেই কঠিন। তার ওপর তারা এমন অমানবিক কাজে লিপ্ত। যারা এটা করেছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এদিকে ডয়েচ ভেলে জানায়, নৌকায় ইউরোপে পৌঁছানোর আশায় শনিবার গ্রিক উপকূলে নিহত ২২ অভিবাসীর মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ১০ জনই সুনামগঞ্জের।

মৃতদেহ ও বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, একটু সময় লাগবে, আমাদের দূতাবাস প্রথমে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছে। যখন এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তখন প্রত্যেক দেশের সরকার সংবেদনশীল হয়ে যায়। আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে, যেসব বাংলাদেশি বেঁচে আছেন, তারা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছেন, তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে হবে। সেটা নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

×