দেশি কৃষিপণ্যের বাজার সারা বিশ্বে সম্প্রসারণ সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ছবি- সংগৃহীত
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ০৪:৪০
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এ পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধ সক্ষম ও প্রতিকূল পরিবেশে চাষোপযোগী বিভিন্ন ফসলের ৬৮১টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছেন। একই সঙ্গে উদ্ভাবন করেছেন ৬৯২টি উৎপাদন প্রযুক্তি। গতকাল মঙ্গলবার ইনস্টিটিউটের কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, দেশের কৃষিপণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। ভবিষ্যতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. জি কে এম মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচলক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি মহাপরিচালক মো. সাইফুল আজম খান, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির পরিচালক ড. মো. সাইফুল আলম প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ড. ফারুক আহমেদ।
মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে। তবে একটি মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সময়ের প্রয়োজন সামনে রেখে বিজ্ঞানীদের গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। প্রতিকূল আবহাওয়া উপযোগী জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় বারির মহাপরিচালক ড. মো. মনজুরুল কাদির বলেন, প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে দেশে তেলবীজ, ডালশস্য, আলু, সবজি, মসলা এবং ফলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব প্রযুক্তির উপযোগিতা যাচাই বাছাই ও দেশের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কর্মসূচি গ্রহণ করাই এ মতবিনিময় সভার মূল উদ্দেশ্য।
- বিষয় :
- কৃষিমন্ত্রী
- বাজার
- বিশ্ব