দেশের মৎস্য খাত অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি- সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ০২:৫২
দেশের মৎস্য খাত বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এখন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। মঙ্গলবার মৎস্য অধিদফতরে আয়োজিত ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের মানুষের মাছের চাহিদা পূরণে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখন উৎপাদনের পাশাপাশি মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। এর মাধ্যমে মৎস্য খাত দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে।
মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে এ খাতের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে প্রান্তিক অর্থনীতিতে মৎস্য অধিদফতর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাষ্ট্র যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা কাজে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে এসে যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে সর্বশেষ ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর এবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কেন্দ্রীয়ভাবে এ আয়োজন করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার ফলে এবারের আয়োজনে মৎস্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
- বিষয় :
- মাছ
- রপ্তানি
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ