৩ দিন পর চালু এক্সিলারেট, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে
ছবি: ফাইল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:৩৮ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০২৬ | ২০:৩৬
এলএনজি কার্গো সংকটে তিন দিন বন্ধ থাকার পর মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর ২টার দিকে টার্মিনালটি চালু হয়। শুরুতে দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। টার্মিনালের কার্যক্রম স্থিতিশীল হলে সরবরাহের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) একটি এলএনজি কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগে মহেশখালীতে পৌঁছানোয় টার্মিনালটি দ্রুত চালু করা সম্ভব হয়েছে। কার্গোটি আগামীকাল পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে আগেই পৌঁছে যাওয়ায় আজ দুপুর থেকেই রিগ্যাসিফিকেশন শুরু হয়।
পেট্রোবাংলার পিএসসি বিভাগের পরিচালক ও অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মো. শোয়েব সমকালকে বলেন, ‘এক্সিলারেট টার্মিনালটি পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেছে এবং গ্যাস সরবরাহও শুরু হয়েছে। এই সরবরাহের পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়বে।’
মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১৯ আগস্ট থেকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। এর আগে গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে জাহাজ থেকে জাহাজে এলএনজি স্থানান্তরের সময় অগ্নিকাণ্ডে টার্মিনালটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ কমে যায়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আজ দুপুর সাড়ে ২টা পর্যন্ত দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে মোট ৬৭০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। একই সময়ে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ৩০০ এমএমসিএফডি।
রাজধানীতে লোডশেডিং
এদিকে গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আজও লোডশেডিং হচ্ছে। এলাকাভেদে দিনে দুই থেকে তিনবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। প্রতিবার প্রায় এক থেকে দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এক্সিলারেট থেকে সরবরাহ বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়বে। এতে লোডশেডিং কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
- বিষয় :
- এলএনজি
- এলএনজি টার্মিনাল