ঢাকা শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন, ফলাফলে বড় পরিবর্তন, ৩০৭৯ জিপিএ ৫

এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন, ফলাফলে বড় পরিবর্তন, ৩০৭৯ জিপিএ ৫
×

ফাইল ছবি

 সাব্বির নেওয়াজ

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:৩১ | আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০:৩২

| প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে প্রথমবারের মতো এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে খাতা নতুন করে দেখা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ৫৬ হাজার ২৫৯টি উত্তরপত্রে নম্বর পরিবর্তন এসেছে। চার হাজার ৫৮৫ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। এর মধ্যে নতুন করে তিন হাজার ৭৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। 

শিক্ষা বোর্ড-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে কোনো বছর পুনর্নিরীক্ষণে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেনি। এবারই ফলে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন ধরা পড়েছে।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শেষ হয় ১৭ আগস্ট। এর ২৩ দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোথাও সঠিক উত্তরেও নম্বর দেওয়া হয়নি। কোথাও উত্তর মূল্যায়নই করা হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খাতার ভেতরে দেওয়া নম্বর মূল নম্বরপত্রে সঠিকভাবে তোলা হয়নি। সঠিক উত্তরকে ভুল ধরে নম্বর না দেওয়ার ঘটনাও পাওয়া গেছে।

এখন প্রশ্ন আসছে, প্রথম দফার মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়িত ফলে বড় রকমের পার্থক্য হলো কীভাবে? অবশ্য ১০ আগস্ট ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছিলেন, এবার সঠিক মূল্যায়ন করায় ফলের প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে চার লাখ দুই হাজার ৫২ জন। তারা মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে।

ঢাকায় বদলেছে ২১ হাজারের বেশি খাতার নম্বর
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ শিক্ষার্থী দুই লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৬৯টি উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে আট হাজার ৯৯৯ জনের।
পুনর্নিরীক্ষণের পর ঢাকা বোর্ডে ৩৩৭ জন ফেল থেকে পাস করেছে। নতুন জিপিএ ৫ পেয়েছে ৯০৬ জন।

ময়মনসিংহে ৭১ হাজার ৬৬টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ আবেদনের বিপরীতে ছয় হাজার ৫৩৮টি উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে পাঁচ হাজার ৩২১ জনের। এ বোর্ডে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি– এক হাজার ১৮০ জন ফেল থেকে পাস করেছে। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৭৭ জন।
দিনাজপুরে ৮৯ হাজার ২৮৬টি আবেদনের বিপরীতে পাঁচ হাজার ৬৩৬টি উত্তরপত্রের নম্বর সংশোধন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে তিন হাজার ৩৫৪ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে ৮৬৭ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৭৫ জন।

কুমিল্লায় ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্রের মধ্যে চার হাজার ৭৩টিতে নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে দুই হাজার ১৫৫ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে ৩৩৬ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০৭ জন।

যশোরে ৭৪ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্রের মধ্যে এক হাজার ৯৪৪টিতে নম্বর সংশোধন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার ৬৮৪ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে ৩৮০ জন। নতুন জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮২ জন।

চট্টগ্রামে এক লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি উত্তরপত্রের বিপরীতে দুই হাজার ৯৭৫টিতে নম্বর পরিবর্তন এবং এক হাজার ১৮৫ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছে ১৯০ জন। নতুন জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮৩ জন।

বরিশালে ৫০ হাজার ২৯৩টি উত্তরপত্রের মধ্যে তিন হাজার ১১৮টিতে নম্বর সংশোধন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার পাঁচজনের। ফেল থেকে পাস করেছে ৭৯ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১২ জন।

সিলেটে ৫০ হাজার ৭১৩টি উত্তরপত্রের বিপরীতে দুই হাজার ৫৮৭টিতে নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার ২৮৬ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে ১৮৬ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২১ জন।
রাজশাহীতে ৯৮ হাজার ৭১০টি উত্তরপত্রের বিপরীতে এক হাজার ৪০৩টিতে নম্বর পরিবর্তন এবং ৬৩১ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছে ১১১ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৭ জন।

মাদ্রাসা ও কারিগরিতেও বড় পরিবর্তন
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজার ১২০ শিক্ষার্থী এক লাখ তিন হাজার ৫০৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৯৪৪টি উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার ৫৪৯ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে ২৫৫ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৩ জন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজার ৩০৭ শিক্ষার্থী ৩৪ হাজার ৩০৫টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এতে এক হাজার ১৭২টি উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তন এবং ৬৬৭ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছে ৬৬৪ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৬ জন।

অর্থাৎ, সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি– সব মিলিয়ে চার হাজার ৫৮৫ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। 

৯ সাধারণ বোর্ডে ফল বদল ৪৯ হাজারের বেশি
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে তিন লাখ ৪১ হাজার ৬২৫ শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। তারা মোট ৯ লাখ ১৮ হাজার ৬৫০টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এর মধ্যে ৪৯ হাজার ১৪৩টি উত্তরপত্রে নম্বর সংশোধন হয়েছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৫ হাজার ৬২০ জনের। ফেল থেকে পাস করেছে তিন হাজার ৬৬৬ জন। নতুন করে জিপিএ ৫ পেয়েছে দুই হাজার ৭৪০ জন।

প্রশ্নের মুখে প্রথম দফার মূল্যায়ন
একজন পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন অনেকাংশে নির্ভর করে পাবলিক পরীক্ষার ফলের ওপর। একটি বা দুটি নম্বরের জন্য বদলে যেতে পারে গ্রেড, জিপিএ কিংবা পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ। পুনর্নিরীক্ষণে বিপুলসংখ্যক উত্তরপত্রে নম্বর পরিবর্তনের ঘটনায় সেই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সামনে আসছে।

বোর্ড-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক খাতা দেখতে হয়– এসব বাস্তবতা থাকলেও একজন পরীক্ষকের দায়িত্বে অবহেলার সুযোগ নেই। কারণ, একটি নম্বরও একজন শিক্ষার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ‘পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হওয়া উদ্বেগের বিষয়। খাতা দেখার সময় শিক্ষকদের যে সতর্কতা ও মনোযোগ থাকা দরকার, অনেক ক্ষেত্রেই তার ঘাটতি ছিল বলে মনে হচ্ছে।’

ওই কর্মকর্তা বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাতা মূল্যায়নের চাপ, অসতর্কতা কিংবা তাড়াহুড়ার কারণে কোনো কোনো পরীক্ষক উত্তরপত্র যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করে থাকতে পারেন। যেসব পরীক্ষকের ভুলের কারণে শিক্ষার্থীদের ফল পরিবর্তন হয়েছে, তাদের বিষয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা করা হতে পারে।

১০ নম্বরের বেশি পরিবর্তনে ব্যবস্থা
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান সমকালকে বলেন, যেসব উত্তরপত্রে ১০ নম্বরের বেশি পরিবর্তন হয়েছে, সেগুলো আলাদাভাবে শনাক্ত করা হবে। এর পর সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকের মূল্যায়ন পদ্ধতি ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে ১০ নম্বরের বেশি পরিবর্তন হওয়া উত্তরপত্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে বলেও তিনি জানান।

দায় কি শুধু পরীক্ষকের?
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. ফারুক আহম্মেদ জানিয়েছেন, পুনর্নিরীক্ষণে নম্বর পরিবর্তন হওয়া উত্তরপত্রগুলো পর্যালোচনা করা হবে। শুধু প্রথম পরীক্ষক নন, প্রধান পরীক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বও খতিয়ে দেখা হবে। কোনো পরীক্ষকের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এতে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, উত্তরপত্র মূল্যায়নের পুরো ব্যবস্থায় তদারকি কতটা কার্যকর। প্রথম পরীক্ষকের পর প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষণ নিয়ন্ত্রণ ও বোর্ড পর্যায়ে যে একাধিক ধাপের নজরদারি থাকার কথা, সেসব ধাপ পেরিয়েও যদি হাজার হাজার খাতায় ভুল থেকে যায়, তাহলে দায় নির্ধারণের প্রক্রিয়াটিও কি নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন?

গত বছর ১৫ হাজার ফল পরিবর্তন
২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে দাখিল, কারিগরিসহ ১১ বোর্ডের ১৫ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়। নতুন করে জিপিএ ৫ পায় এক হাজার ৪৫ জন। ফেল থেকে পাস করে চার হাজার শিক্ষার্থী। 

এ বছর ফলের সঙ্গে বেড়েছে প্রশ্নও
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল অনুযায়ী পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে চার হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে এবং তিন হাজার ৭৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। এতে সংশোধিত ফলের পাশাপাশি বাড়ছে পাসের হার ও মোট জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবির দুলু সমকালকে বলেন, একটি পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বর দেওয়া শুধু একটি প্রশাসনিক কাজ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একজন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ। তাই পুনর্নিরীক্ষণে ৫৬ হাজারের বেশি উত্তরপত্রে নম্বর পরিবর্তনের ঘটনা কেবল কিছু শিক্ষার্থীর ভাগ্য বদলের গল্প নয়, এটি পুরো মূল্যায়ন ব্যবস্থার জন্যও একটি সতর্কবার্তাও। যাদের গাফিলতিতে মূল্যায়নে ত্রুটি ছিল, তাদের শাস্তি দিতে হবে।

পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত আগে জানতেন না শিক্ষকরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিনুর রশিদ সমকালকে বলেন, এ বছর খাতা পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত হওয়ায় সুযোগটা বহু পরীক্ষার্থী নিয়েছে। পরীক্ষকও সংগত কারণে সতর্কভাবে খাতা দেখেছেন। এতে বহু পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। প্রথম পরীক্ষক যখন খাতা দেখেছেন, তখনও সরকারি সিদ্ধান্ত হয়নি এ বছর খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। ফলে তিনি তাঁর মনমতোই নম্বর দিয়ে গেছেন। 

মনিনুর রশিদ বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকলেও আমাদের দেশে খাতা মূল্যায়নের কোনো সঠিক মানদণ্ড বা রুব্রিক্স ঠিক করে দেওয়া নেই। সংগত কারণেই একেক শিক্ষক একেক রকম মূল্যায়ন করেন। আবার একই শিক্ষক সকালে এক রকম, বিকেলে আরেক রকম নম্বর দেন। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষা বোর্ডগুলোর উচিত একটি মূল্যায়ন মানদণ্ড তৈরি করে যথাযথ রুব্রিক্স তৈরি করা। এর পর তার আলোকে বাছাই করা শিক্ষকদের পরীক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া।’

আরও পড়ুন

×