ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গানভোরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশে

পরপর দুই কার্গো আসায় গ্যাস সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি, আবাসিকে সংকট কাটেনি

গানভোরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশে
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০১:১৪

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় গানভোরের সরবরাহ করা প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) দেশে এসেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কার্গোটি থেকে গ্যাস খালাস শুরু হয়। এ কার্গো থেকে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ ঘনমিটার এলএনজি খালাস করা হবে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় গানভোরের সরবরাহ করা এটিই প্রথম এলএনজি কার্গো। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বরও একটি কার্গো দেশে আসে। পরপর দুটি কার্গো আসায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বেড়েছে। এতে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

পেট্রোবাংলার ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬০৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১ হাজার ৬১২ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে ৯৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।

এর আগের দিন ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট। তখন দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে ৯৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট।

শিল্পে কিছুটা উন্নতি, আবাসিকে সংকট
এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় শিল্প খাতে গ্যাস পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও তা বিভিন্ন খাতে ভাগ হয়ে যাওয়ায় আবাসিক গ্রাহকদের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এখনও দেখা যায়নি।

রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় গ্যাসের সংকট অব্যাহত রয়েছে। কোথাও দিনের বেলায় গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়লেও অনেক এলাকায় এখনও চুলা জ্বলছে না। এতে রান্নাবান্নায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

অন্যদিকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতি। ফলে আগের তুলনায় স্টেশনগুলোতে গ্যাসের জন্য অপেক্ষার সময় ও ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

আরও পড়ুন

×