ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬

মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০১:৩৯

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকায় একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মোহাম্মদপুর থানায় ২০২৪ সালের একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার আসামি।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- ভোলার লালমোহনের মো. রিফাত হোসেন, চরফ্যাশনের মো. সাব্বির ও মো. ইলিয়াস, বোরহানউদ্দিনের মো. মহাসিন, ঢাকার গেন্ডারিয়ার মো. শুভ এবং পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ইমন মৃধা। তারা সবাই বর্তমানে মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় থাকেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে নবীনগর হাউজিং এলাকার একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি প্রবেশ করেন। তারা প্রতিষ্ঠানের কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, চাঁদার টাকা দিতে এবং তাদের কথামতো কাজ করতে রাজি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের কর্মী ইমরানকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাঁ হাতের কবজির ওপর গুরুতর জখম করা হয়।

এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রিফাত হোসেনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে। শুভ ও ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মোহাম্মদপুর থানায় হওয়া একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলারও আসামি। মহাসিনের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে ভোলার বোরহানউদ্দিন থানায় যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা রয়েছে।

এ ছাড়া ইমন মৃধার বিরুদ্ধে চলতি বছরের ৪ মার্চ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থানায় মামলা করা হয়।

আরও পড়ুন

×