আবুল বারকাতের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:১৫
জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে দুদকের ব্যাংক অনুবিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এ এস এম সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে আবুল বারকাতের স্থাবর-অস্থাবর, নামে-বেনামে থাকা সম্পদের তথ্য চাওয়া হয়েছে। আজ রোববার দুদকের জনসংযোগ শাখা থেকে ওই তথ্য জানানো হয়।
দুদক জানায়, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে দুদকের ‘বিশ্বাস জন্মেছে’ তিনি স্বনামে/বেনামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। দুদক আইন-২০০৪ (২০০৪ সালের ৫ নম্বর আইন) এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) দ্বারা অর্পিত ক্ষমতাবলে তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদ/সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করতে হবে। দুদকের চিঠি পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে এই বিবরণী জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে ওই আইনের ধারা ২৬ এর উপধারা (২) মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিকে হালদারের ভাইয়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হচ্ছে
আনান কেমিক্যাল লিমিটেডের পরিচালক ও আলোচিত পিকে হালদারের ভাই প্রিতিশ কুমার হালদারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে দুর্নীতি দুদক। আজ রোববার চার্জশিটটির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। শিগগির আদালতে এটি জমা দেওয়া হবে।
তাঁর বিরুদ্ধে চার কোটি ৮৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি তদন্ত করে তাঁর নামে অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মেলে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হচ্ছে।
- বিষয় :
- দুদক