ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ফুড সিস্টেমস ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ

বাকৃবির দুই দলের সাফল্য

বাকৃবির দুই দলের সাফল্য
×

বাকৃবির এই সফলতা উৎসাহ জোগাবে শিক্ষার্থীদের

মো. রিয়াজ হোসাইন

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫ | ১১:০৩ | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৫ | ১১:০৫

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীতে জনসংখ্যা বেড়েছে, সেই সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।  ফলে উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু কমে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদের উৎস। যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে খাদ্যচক্র ও জীববৈচিত্র্যে। বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগও বাড়ছে। পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন রোগ।

সম্প্রতি প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে তরুণদের উৎসাহিত করতে এবং টেকসই বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত হলো ফুড সিস্টেমস ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২৫-এর দ্বিতীয় আসর। এ আয়োজনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুটি দল অংশগ্রহণ করে সাফল্য অর্জন করেছে। দল দুটি হলো– ‘অ্যাগ্রো ফেম সেপ্টেট’ ও ‘অ্যাকোয়াফোর’। 

গত ৩০ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওমনিয়া ভবনে গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় ‘অ্যাগ্রো ফেম সেপ্টেট’ সেরা তিন দলের মধ্যে স্থান অর্জন করে এবং তিন হাজার ৫০০ ইউরোর গ্র্যান্ড প্রাইজ পায়। অন্যদিকে ‘অ্যাকোয়াফোর’ দর্শকদের ভোটে অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে এবং পুরস্কার হিসেবে ৫০০ ইউরো পায়। ‘অ্যাগ্রো ফেম সেপ্টেট’ দলের নেতৃত্ব দেন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রুবাইয়া বিনতে রেজওয়ানুর পূর্ণা এবং ‘অ্যাকোয়াফোর’ দলের নেতৃত্ব দেন ফুড সেফটি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী শবনম ফেরদৌস। এ ছাড়া দুই দলের সমন্বয় ও পরামর্শ দেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান। নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিঙ্গেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্চ এবং নেদারল্যান্ডস ফুড পার্টনারশিপ যৌথভাবে এ প্রোগ্রামের আয়োজন করে। এ বছর প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল– প্রাকৃতিক প্রতিবেশকে কাজে লাগিয়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্ভাবনী উপায় খোঁজা। 

এ বছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসব্যাপী আয়োজনে চার মহাদেশের ১২ দেশের ২৪টি শিক্ষার্থী দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি দলকে নিজ দেশে প্রস্তাবিত ধারণা বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন দেওয়া হয়। গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য নির্বাচিত দলের নেতা ও সমন্বয়কারীদের ওয়াগেনিঙ্গেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্চ নেদারল্যান্ডসে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং সব ব্যয়ভার বহন করা হয়। সেখানে তারা বাস্তবায়িত প্রকল্প উপস্থাপনের সুযোগ পান। ফাইনালে দলীয় নেতারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করেন। 

আরও পড়ুন

×