ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিশু অধিকার রক্ষায় খেলাঘরের ১০ দফা কর্মসূচি

শিশু অধিকার রক্ষায় খেলাঘরের ১০ দফা কর্মসূচি
×

ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০১৯ | ১০:৩৪

শিশু অধিকার সুরক্ষায় দশ দফা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর। বছরজুড়ে এসব কর্মসূচি আঞ্চলিক, জেলা, মহানগর ও শাখা আসরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। 

এ ছাড়া সাংগঠনিক কার্যক্রম বাড়াতে সম্পাদকমণ্ডলীর ১৯টি বিভাগ গঠনসহ সারাদেশকে ১১টি জোনে ভাগ করে জোনাল সমন্বয়কারীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টন কমিউনিটি সেন্টারে খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় গৃহীত কর্মসূচির অনুমোদন দেন সংগঠকরা। এতে সারাদেশের সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। আগামী দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দেশজুড়ে অব্যাহত শিশু নির্যাতন, অপহরণ-পাচার, বাল্যবিয়ে, শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহ করে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমে তুলে ধরতে কেন্দ্রীয়ভাবে শিশু নির্যাতন মনিটরিং সেল গঠন। পাশাপাশি অটিজম, কিশোর অপরাধ, শিশুশ্রম, পথশিশু ও অনাথ শিশুদের নিয়ে খেলাঘরের নিজস্ব তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা হবে। শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেও গ্যাং কালচার বন্ধে অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়ে শিশুদের মনোজগতের বিকাশ, আদর্শ ও নৈতিকতার চর্চা বাড়াতে প্রতিটি শাখা আসরের উদ্যোগে সাহিত্য বাসর, শিশুসাহিত্য সম্মেলন, শিশুসাহিত্য হিসেবে কোন কোন লেখা পাঠ্যসূচিতে রাখা যায়, সে বিষয়ে সুপারিশ তৈরি, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, বই পড়া, ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন, শিশু পার্লামেন্ট, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, শিশু নাট্য উৎসব, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বন্ধুপ্রতিম শিশু সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে।

বৈঠকে প্রতিটি জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড করা, স্কুল পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের গল্পের আয়োজন, চর-বস্তি-হাওর-পাহাড়-উপজাতি ও উপকূলের শিশুদের সমস্যা চিহ্নিত করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শিশুদের ব্যবহার না করাসহ আরও বেশকিছু পরিকল্পনা তুলে ধরেন সংগঠকরা।

খেলাঘর সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি ছিলেন শিশু একাডেমির পরিচালক ও বিশিষ্ট ছড়াকার আনজীর লিটন। বক্তব্য দেন অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, অধ্যাপক প্রণয় সাহা, আবদুল মতিন ভূঁইয়া, কামাল চৌধুরী, হান্নান চৌধুরী, নাজমুল আহসান অপু, ইমাম হোসেন ঠান্ডু, চিত্তরঞ্জন শীল, সাহাবুল ইসলাম বাবু, সিজার মল্লিক, আশীষ সেন, মাখন লাল দাশ প্রমুখ।

আরও পড়ুন

×