ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

আরও সময় চান শপিংয়ে আসা ক্রেতারা

আরও সময় চান শপিংয়ে আসা ক্রেতারা
×

করোনার বিস্তার ঠেকাতে ঈদের সময় রাজধানীর বেশিরভাগ মার্কেট বন্ধ থাকলেও সীমিত পরিসরে খুলেছে কিছু মার্কেট-শপিংমল। রোববার ওয়ারীতে আড়ংয়ের শোরুমে পোশাক পছন্দ করছেন ক্রেতারা -সমকাল

সাজিদা ইসলাম পারুল

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ১৭ মে ২০২০ | ২১:২৯

ঈদকে সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের ১৪ আউটলেট খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই প্রক্রিয়ায় অনলাইনে নিবন্ধন করে এসে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এ ছাড়া পোশাক ট্রায়াল করার সুযোগ থাকছে না এবং কেনা পণ্য আপাতত পরিবর্তনও করা যাচ্ছে না। তবে অনলাইনে কেনাবেচা তাদের আগের চেয়ে বেশি হচ্ছে।

এদিকে পণ্য পরিবর্তন বা ট্রায়ালের সুযোগ নেই; এ জন্য কেনাকাটার সময় আরও একটু বাড়ানোর পক্ষে ক্রেতারা। আড়ং কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলেই বিদ্যমান 'পণ্য পরিবর্তন নীতি' অনুযায়ী ৩০ দিনের সময়কাল গণনা শুরু হবে এবং এর মধ্যে পণ্য পরিবর্তন করা যাবে।

ঈদকে সামনে রেখে করোনাজনিত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে গত সপ্তাহে সীমিত আকারে মার্কেট ও শপিংমল খোলার বিষয়ে ঘোষণা দেয় সরকার। শর্ত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত রোববার থেকে ভিন্ন আঙ্গিকে খুলেছে দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের আউটলেট। ২১টি আউটলেটের মধ্যে ১৪টি খুলেছে আড়ং।

আড়ংয়ের মিরপুর-১ আউটলেটে কথা হয় একই এলাকার বাসিন্দা সাবরিনা রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, 'বাসা থেকে বের হওয়ার আগে অনলাইনে টাইমস্লট বুকিং দিয়ে আসছি। কিন্তু শপিং করার জন্য এক ঘণ্টা খুব কম সময়। এর মধ্যে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আসা বারণ। কাপড় ট্রায়ালও দিতে পারছি না। সাইজে না হলে যে পরিবর্তন করব সে উপায়ও নেই।' তাই টাইমস্লটের সীমা আরও বাড়ানোর দাবি জানান এ ক্রেতা।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা নিয়াজ মাহমুদ বলেন, 'এত নিয়ম-কানুনে শপিং করে তো আমরা অভ্যস্ত নই। কেনাকাটার সময় আরও একটু বাড়ানো প্রয়োজন।'

আড়ংয়ের প্রধান অপারেটিং অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, আড়ংয়ের পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার ৬০ থেকে ৬৫ হাজার লোক। করোনাভাইরাসের কারণে আড়ংয়ের বৈশাখকেন্দ্রিক বেচাকেনা বন্ধ ছিল। আবার ঈদের পণ্যও হাতে রয়েছে। এখন আমরা চাইছি, এসব পণ্য ঈদের আগে কিছুটা হলেও বিক্রি করে তাদের সাপোর্ট দিতে। তা না হলে আগামীতে এই উৎপাদনকারীদের সাপোর্ট দেওয়া কঠিন হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন

×