মরক্কোর হৃদয় ভেঙে সেমিতে ফ্রান্স
মরক্কোর বিপক্ষে এমবাপ্পের গোল উদযাপন। ছবি: এপি
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬ | ০৪:০৪ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬ | ০৪:২৯
সোনালি প্রজন্ম। রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপে যারা ফাইনাল খেলেছে। প্রতিটি পজিশনে বিশ্বমানের ফুটবলার। মাঠে অপ্রতিরোধ্য ওই ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ২-০ গোলের সহজ জয় পেয়েছে। সবার আগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রেখেছে। টানা তিন বিশ্বকাপের শেষ চারে খেলার কীর্তিও গড়েছে।
বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় বোস্টনে শুরু হওয়া ম্যাচে কর্তৃত্ব করে খেলতে থাকে কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান ডেম্বেলেদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণভাগ। রক্ষণ সামলাতে মরিয়া আফ্রিকার দল মরক্কো ২৮ মিনিটে পেনাল্টি দিয়ে দেয়। এমবাপ্পেকে থামাতে বক্সে ফাউল করে বসেন মাজরাউই। পেনাল্টির বাঁশি বাজানো রেফারিকে ভিএআর চেক করে পাকা সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
ওই শট নিয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন এমবাপ্পে। তার বা প্রান্তে নেওয়া দুর্বল শট মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বনো গ্রিফ করে ফেলেন। তবে ৬০ মিনিটে আর এমবাপ্পেকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। শরীরের ঝাঁকুনিতে বক্স থাকা মরক্কান ফুটবলাররা অল্প জায়গা ছাড়তে বাধ্য করেন। নিঁখুত শট নিয়ে বাঁ প্রান্ত জালে বল পাঠিয়ে দেন এই রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার।
মরক্কোর গোলের মুখ খোলা ফ্রান্স দ্বিতীয় গোলটি করতে বেশিক্ষণ সময় নেননি। বরং ছয় মিনিট পরই উসমান ডেম্বেলে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে জালে বল পাঠিয়ে দেন। গোলরক্ষক বনোর শটটি ফেরানোর সুযোগ ছিল। তিনি লাফিয়েও ছিলেন। কিন্তু কাজ হয়নি। ফ্রান্স ২-০ গোলে লিড নেওয়ার পর বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন আক্রমণের শিকার কিলিয়ান এমবাপ্পে।
সহজে জয় পাওয়া ফ্রান্সের আক্রমণ নিয়ে শুধু কথা বললে ভুলই হবে। ম্যাচে ফ্রান্সের রক্ষণ নিয়েও কথা বলতে হবে। তাদের দেয়াল ভেদ করে মরক্কো পুরো ম্যাচে গোল মুখে একটি শট নিতে পেরেছে। আক্রমণ ছিল পাঁচটি। অপর দিকে ফ্রান্স দুই গোল করলেও মরক্কোর রক্ষণ ও গোলরক্ষককে ত্রস্ত রেখেছিল। গোল মুখে ২২টি শট নিয়ে ৯টি গোলবারে রেখেছিলেন। সব মিলিয়ে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল, নকআউট পর্বে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে নকআউটে এসে মরক্কো একটু হুঙ্কারই ছাড়ছিলেন। ফ্রান্স দুর্দান্ত ফুটবল খেলে টানা দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন দেখা মরক্কোকে বিদায় করে দিয়েছি।
- বিষয় :
- ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬