’করোনা পয়ঃবর্জ্য ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আরও প্রান্তিক করেছে’
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২০ | ০৫:০৮ | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২০ | ০৫:১৫
পয়ঃবর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়োজিত নারীদের মধ্যে শতকরা ৪২ জনই নানা ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন করোনা মহামারীর এই সময়ে। এদের মধ্যে ৩৫.১ ভাগ মৌখিক নির্যাতনের, ২০.৬ ভাগ অবৈতনিক কাজে চাপের, ৫.২ ভাগ নারী শারীরিক নির্যাতনের এবং ২.১ ভাগ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৪৮ ভাগ পয়ঃবর্জ্য কর্মীর আয় কমেছে, অথচ খরচ বেড়েছে ৭১ ভাগ কর্মীর।
বাংলাদেশ ফিক্যাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট (এফএসএম) নেটওয়ার্কের ’পয়ঃবর্জ্য ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উপর করোনা মহামারির প্রভাব’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে চারটি বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন, এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমন্টে ওর্গানাইজেশন, ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এবং ওয়াটার স্যানিটেশন ফর দ্য আরবান পুওর তাদের গবেষণালব্ধ এসব তথ্যতুলে ধরে। ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা তৃণমূলের পয়ঃবর্জ্য ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কোভিডকালীন নানা দুর্দশার কথা আলোচনা করেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও আরও ৯টি পৌরসভায় চিত্র উঠে এসেছে প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের গবেষণায়। এ প্রসঙ্গে সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. শওকত বেগম বলেন, ‘মহামারির শুরু থেকে অদ্যাবধি, অর্ধেকেরও বেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মী মূলত ধার করে সংসার চালাচ্ছেন। প্রতি দশজনে দুজন নারী বাড়িতে বা কর্মস্থলে ও সার্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলতে পারছেন না।’
পয়ঃবর্জ্য ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ব্যবসার বর্তমান করুণ চিত্র উঠে এসেছে ওয়াটার স্যানিটেশন ফর দ্য আরবান পুওর (উসাপ)- এর গবেষণায়। মহামারির সময়ে বদলে গেছে এ খাতের ব্যবসার চিত্র।
মিউনিসিপ্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ম্যাব)- এর গুঞ্জন বড়ুয়া’র সঞ্চালনায় এই ওয়েবিনারে উপস্থিত অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন আইটিএন বুয়েট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. তানভির আহমেদ ও ম্যাব-এর সভাপতি ও নিলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ।
- বিষয় :
- পয়ঃবর্জ্য অপসারণ