মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল
আমদানি বাণিজ্যের কাঠামো ঠিক করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬ | ০৮:৪৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
ফ্রি ট্রেড জোন বা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলে (এফটিজেড) আমদানি বাণিজ্য পরিচালনার জন্য একটি কাঠামো ঠিক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে লেনদেন সহজ করা এবং ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য। রপ্তানিমুখী শিল্পসহ স্থানীয় উৎপাদনশীল খাত শক্তিশালী করা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের দক্ষতা বাড়াতে যা সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, এই কাঠামোর আওতায় অনুমোদিত ডিলার (এডি) ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালার আলোকে এফটিজেড সংশ্লিষ্ট লেনদেন পরিচালনা করবে। যোগ্য আমদানিকারকদের মধ্যে রয়েছে উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অনুমোদিত ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী আমদানিকারক এবং এফটিজেডে কার্যরত লজিস্টিকস সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে কনসাইনমেন্ট-ভিত্তিক আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত বা বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত মালিকানা বিদেশি সরবরাহকারীর কাছেই থাকবে। মালিকানা হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত ব্যাংকগুলো এসব পণ্যকে মজুত হিসেবে গণ্য করবে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো ঋণঝুঁকি নেবে না।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে, দেশের অভ্যন্তরের ক্রেতাদের দ্বারা এফটিজেড থেকে পণ্য কেনাকে আমদানি হিসেবে গণ্য করা হবে। অন্যদিকে এফটিজেড প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রিকে বিক্রেতার জন্য রপ্তানি এবং ক্রেতার জন্য আমদানি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে এক্সপি ও আইএমপি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সকল অর্থপ্রদান অবাধে রূপান্তরযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রায় সম্পন্ন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, দেশে প্রথমবারের মতো দুটি মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর একটি কক্সবাজারের মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের কাছে। আরেকটি চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী এলাকায়।
- বিষয় :
- বাংলাদেশ ব্যাংক