ধারাবাহিক পতনের পর ঊর্ধ্বমুখী সূচক
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | ০৮:২০
| প্রিন্ট সংস্করণ
ধারাবাহিক পতনের পর গত দুদিনে বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার। তাতে সূচক এবং লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে ১৯ শতাংশ শেয়ারের দর কমার বিপরীতে ৬৯ শতাংশের দর বেড়েছে। আগের দিন বুধবারও ১২ শতাংশের দর কমার বিপরীতে ৭৫ শতাংশের দর বেড়েছিল।
শুধু গতকালের দর বৃদ্ধিতে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৭১ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪১৩ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। বুধবার সূচকটি বেড়েছিল ৫৭ পয়েন্ট। দুদিন মিলে সূচক বাড়ল প্রায় ১২৯ পয়েন্ট। অবশ্য এর আগের ৩০ কর্মদিবসে ধারাবাহিক দর পতনে এ সূচক হারিয়েছিল প্রায় ৩০৮ পয়েন্ট।
পতনমুখী ধারা থেকে হঠাৎ শেয়ারদর ও সূচকের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক দল রিপাবলিকানদের বড় হারকে অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বিশ্বের সর্বাধিক ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী দেশটির শাসন ব্যবস্থায় এক প্রকার ভারসাম্য ফেরায় ট্রাম্প আগের মতো ক্ষমতা ব্যবহার নাও করতে পারেন। মধ্যপ্রাচ্য সংকটও কমে আসতে পারে। এমন ধারণায় জ্বালানি তেলের দাম গত কিছুদিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমেছে। এর প্রভাব দেখা গেছে বিশ্বের সব শেয়ারবাজারে।
একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের সিইওরা বলেন, ট্রাম্পের নিজ দেশের করনীতি, বৈশ্বিক কূটনীতির ধারা বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে, ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ বাড়িয়েছে। তাঁর ক্ষমতায় কিছুটা লাগাম টানার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে মনে করছেন অনেকে। এ অবস্থায় আশাবাদী কৌশলী বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করায় শেয়ারবাজারে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে।
গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৩৪৯ কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ২৪৪টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬৮টির দর। প্রায় এক মাস পর ডিএসইতে শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ ৬০০ কোটি ছাড়িয়েছে। গতকাল এ বাজারে কেনাবেচা হয়েছে ৬৪৫ কোটি টাকার শেয়ার।
- বিষয় :
- শেয়ারবাজার