ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

চিঠিপত্র

চিঠিপত্র
×

প্রতীকী ছবি

--

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২০ | ১২:০০

মেস ভাড়া বিবেচনা করুন

বাংলাদেশে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরতদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই ছাত্রবাস বা ভাড়া বাসায় থেকে পড়ালেখা করছে। যাদের অধিকাংশই দারিদ্র্য ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তারা সাধারণত টিউশনি করে তাদের পড়ালেখার খরচ মেটায়। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘদিন থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বর্তমানে তারা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। দেশের বিভিন্ন এলকায় মেস ও বাসা ভাড়া পরিশোধ করতে শিক্ষার্থীদের চাপ দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অমানবিক হলেও মেস বা বাসা মালিকরা তাদের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। এমতাবস্থায় সরকারের কাছে অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের আর্থিক দুর্দশার বিষয়টি আমলে নিয়ে বিগত ৪-৫ মাসের মেস বা বাসা ভাড়া মওকুফ করা হোক।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর

ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল

করোনায় বিপর্যস্ত বিশ্ব। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের মধ্যনিম্ন আয়ের মানুষগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। এরই মধ্যে বাসা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভাড়াটে-বাড়িওয়ালাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে দা-কুমড়ার সম্পর্ক। পরিবারের ভরণপোষণ, বাসা ভাড়া মেটাতে যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে আবার শুরু হলো বিদ্যুৎ বিলের হয়রানি। এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। গত ১১ জুন নরসিংদী জেলা সদরের জোনাল অফিসে গিয়ে দেখা গেল শতাধিক লোক বিদ্যুৎ বিলের কাগজে সংশোধনীর আশায় দাঁড়িয়ে আছে। অনেকের অভিযোগ, গত দু'মাস তাদের মিটার বন্ধ ছিল, ভাড়াটে বাসা ছেড়ে চলে গেছে, অথচ সেখানে মিটার খোলার পর ইউনিট দেখাচ্ছে। অনেকের পূর্বের মাসের তুলনায় বহুগুণ বিল চলে এসেছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করছি।

মাসউদ বিন আতহার
চিনিশপুর, নরসিংদী

আরও পড়ুন

×