ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

মার্কিন কোম্পানির অ্যান্টিবডি পরীক্ষার কিটে সাফল্য

মার্কিন কোম্পানির অ্যান্টিবডি পরীক্ষার কিটে সাফল্য
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২০ | ০০:০৪ | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২০ | ০১:৪০

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বহুজাতিক চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরি করোনাভাইরাস অ্যান্টিবডি পরীক্ষার কিটে ৯৯ শতাংশ সাফল্য পাওয়া গেছে। ফলে ইউরোপের দেশগুলোতে কিটটি রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ইনডিপেনডেন্ট অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অ্যাবট নামে যুক্তরাষ্ট্রের ওই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটির একটি কার্যালয় রয়েছে ব্রিটেনের মেইডেনহেডে। তারা জানিয়েছে, মে মাসের মধ্যেই লাখ লাখ কিট ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হবে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, এই কিটটি ‘সিই’ সনদ পেয়েছে। যার অর্থ হলো এটি ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) নিরাপত্তা নীতির শর্ত পূরণ করেছে। এই কিটটি ইউরোপের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি ব্রিটেনও ব্যাবহার করতে পারবে।

অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় দেখা হয় কারও শরীরে ইতিমধ্যেই করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা। একই সঙ্গে দেখা হয় কারও শরীরে এই ভাইরাস প্রতিরোধী ক্ষমতা (অ্যান্টিবডি) তৈরি হয়েছে কিনা। একটি যন্ত্রের মধ্যে এক ফোঁটা রক্ত নিয়ে এ পরীক্ষা করা হয়। এর ফল জানা যায় কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। এক ফোঁটা রক্ত যন্ত্রে থাকা একটি তরল রাসায়নিকের সঙ্গে মেশানো হয় এবং এই পরীক্ষা বলে দেয় যে, কারও শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি আছে কিনা।

ব্রিটেনের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলুলার মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইমন ক্লার্ক মনে করেন, এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরীক্ষা। অ্যান্টিবডি পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কারও করোনাভাইরাস হয়েছে কিনা। পাশাপাশি শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কিনা তাও জানা যাবে। তবে প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আক্রান্ত ব্যক্তি যে নিশ্চিতভাবে সেরে উঠবেন তার গ্যারান্টি নেই।

অ্যান্টিবডি পরীক্ষা নিয়ে অবশ্য বিশ্বব্যাপী বিতর্ক চলছে। অনেক দেশ অর্থনীতি সচল করতে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা শুরু করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, কারও শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী (অ্যান্টিবডি) ক্ষমতা থাকলেই যে তিনি দ্বিতীয়বার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না, এখনও তার কোনো প্রমাণ নেই।

তবে অ্যান্টিবডির বিতর্ক দূরে সরিয়ে র‌্যাপিড টেস্টের মাধ্যমে দ্রুত করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের বিষয়টি আমলে নিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তারা মনে করেন, এই কিটের মাধ্যমে অনেক কম সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের করোনা শনাক্ত করা গেলে তা রোগটির সংক্রমণ ছড়ানো রোধে সহায়তা করতে পারে। 

আরও পড়ুন

×