ত্রিপোলিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি সরকারি বাহিনীর
ত্রিপোলি নিয়ন্ত্রণের দাবি দেশটির সেনাবাহিনীর
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২০ | ০০:১৫ | আপডেট: ০৫ জুন ২০২০ | ০০:১৯
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির ওপর নিজেদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এই দাবি এমন সময় করা হলো, যখন সেনাবাহিনী পশ্চিমে খলিফা হাফতারের নিয়ন্ত্রণাধীন শেষ দুর্গের দিকে তাদের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। এর আগে বুধবার দেশটির প্রধান বিমান বন্দর দখল করেছে বলে জানিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনী ত্রিপোলি দখলের ঘোষণা দেয়। খবর আনাদোলু নিউজ এজেন্সি।
‘বুরকান আল-গাদাব’ নামে ত্রিপোলি দখলে পরিচালিত এই অভিযানের মুখপাত্র মোস্তফা আল-মাজেই জানিয়েছেন, ত্রিপোলি পুরোপুরি দখল করে আমরা এখন দক্ষিণ-পূর্ব দিকের তারহুনা শহরের প্রশাসনিক সীমানায় পৌঁছেছি।
এদিকে খলিফা হাফতারের মিলিশিয়া বাহিনীর সামরিক যান তারহুনা শহর থেকে বানি ওয়ালিদ শহরের দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেছে। শহরটি ত্রিপোলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
ত্রিপোলিকে খলিফা হাফতারের বাহিনীর হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য মার্চ মাসে ‘অপারেশন পিস স্টর্ম’ নামে একটি অভিযান শুরু করে দেশটির সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি দেশটির কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলসহ আল-ওয়াতিয়া বিমান ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করে সেনাবাহিনী। এটা হাফতার বাহিনীর জন্য বড় ধরনের একটি ধাক্কা।
লিবিয়ার সাবেক শাসক জেনারেল গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর দেশটির মধ্যে ক্ষমতা নিয়ে গৃহযুদ্ধ দেখা দেয়। এরপর ২০১৫ সালে জাতিসংঘের নেতৃত্বে এক চুক্তির মাধ্যমে লিবিয়ার সরকার গঠিত হয়। কিন্তু হাফতার বাহিনীর আক্রমণের কারণে দেশটির দীর্ঘ মেয়াদে রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
এদিকে রাশিয়া, মিসর ও আমিরাতের সমর্থনপুষ্ট হাফতার বাহিনী রাজধানী ত্রিপোলির ওপর কার্যকর কোনো প্রাধান্য দেখাতে সক্ষম হয়নি প্রথম থেকেই। কেবল তেলসমৃদ্ধ দক্ষিণাঞ্চল ও সির্তে শহরের ওপরই নিজেদের স্থিতাবস্থায় রাখতে পেরেছে বিদ্রোহী পক্ষটি।