ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়ার পর ‘বিভ্রান্ত ও যন্ত্রণাকাতর’ অবস্থায় ঘুম ভেঙেছিল ক্রিস্টার

মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়ার পর ‘বিভ্রান্ত ও যন্ত্রণাকাতর’ অবস্থায় ঘুম ভেঙেছিল ক্রিস্টার
×
×

ক্রিস্টা পাইক

বিবিসি

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:১১

যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী ক্রিস্টা পাইক গত সেপ্টেম্বরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ব্যর্থ হওয়ার ঘটনার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ওই রাতের পর থেকে এমন কোনো মুহূর্ত যায়নি, যখন তিনি ব্যথামুক্ত ছিলেন।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার আইনজীবীদের প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক বলেন, ‘আমার শরীর ব্যথা করছে। হাত, বাহু ও গলায় যন্ত্রণা হচ্ছে। এখনো কথা বলতে কষ্ট হয়। এই যন্ত্রণা শুধু শারীরিক নয়, আমার মন ও আত্মাও যন্ত্রণায় ভুগছে।’

গত মাসের শেষ দিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান পাইক। প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পেন্টোবারবিটাল নামের ওষুধ প্রয়োগ করে তাকে দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে যান।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তাকে আবার সেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে, যেখানে গত ৩০ বছর ধরে বন্দী রয়েছেন তিনি।

১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমার নামের এক তরুণীকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি হিসেবে তাকেই একমাত্র বলে মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবারের বিবৃতিতে নিজের শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথাও জানিয়েছেন পাইক। তিনি বলেন, ‘আমি সুস্থ হয়ে উঠছি এবং বুঝতে পারছি, আগের চেয়ে শক্তিশালী হচ্ছি। তবে সুস্থ হয়ে ওঠা আর পুরোপুরি ভালো থাকা এক বিষয় নয়।’

আরও পড়ুন

×