পদাবলি
×
--
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২০ | ১২:০০
ছিন্নপর্দা, পর্দার ওপারে
শিহাব সরকার
বাহারি পর্দা ঝোলে না আর জানালায়
কে বলে বাঈজিরা বিষাদে আছে,
যাই, শহরের বারোতলা ঘুরে আসি
ওরা সুরা দেবে, দ্রাক্ষা দেবে, আরো কিছু ...
কাউক্কেই তোয়াক্কা না ক'রে
গাড়লেরা যত্রতত্র ছড়িয়ে যায়
কবিতাবর্জ্য, মাথাভরা চৈত্রের রোদ।
ছাতার আড়ালে মুখ ঢেকে যারা চলে,
জানে মাথার গহিনে কালো মেঘ
গলি ধরে হেঁটে গিয়ে ধানকাটা মাঠে।
খুঁজে গেছি কত নিরিবিলি নদীতীর
পথ শেষ হয় সেই অন্ধকারে
উড়ছে ছিন্নপর্দা, পর্দার ওপারে উৎসব।
আলোক সোয়ারি
আহমদ জামাল জাফরী
আকাশে নদী জলে স্বেচ্ছাচারী ভাঙনের টান
জীবন ও মৃত্যুর অক্ষয় ডাক;
সত্য জেনেও মানুষ আনমনে থাকে।
আলোর রৌদ্র পাখায় ওড়ে খয়েরি পাতার নৈঃশব্দ্য প্রপাত
রূপালি শঙ্খের মতো আকাশে বেভুল পাখিদের গান
ঘাসফড়িংয়ের মাঠে মাঠে অপাপবিদ্ধ কানামাছির শৈশব
বেদনার মতো হেঁটে যায় বাষ্পরুদ্ধ পথ
বুকের ভেতর কাঁপছে আগুন নদী
অপরাহেপ্তর মাঠে নিষ্প্রভ বিকেল
নিমগ্ন প্রান্তরের দিকে স্তব্ধতার অনুনাদ
নিষেধের জানালায় জেগে থাকে জাদুরঙ চাঁদ
তবুও জীবন বড়ো মন্থর একা
খাদের কিনার ঘেঁষে এই ঘোর নিদাঘে
সারারাত বসে থাকি নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি
যৌথ আগুনে পুড়ে প্রামাণ্য দৃশ্যের ছায়াপর্ব
তবুও জীবনের দিকে হেঁটে যায় আলোক সোয়ারি।
আদিরোগ
রাবাত রেজা নূর
আদমের ঘর। চারিদিকে বাতাসের কোলাহল। মাটির মানুষের মন ভালো নেই। আদিরোগে আক্রান্ত আমাদের আদিপিতা। সেই আদিরোগ। মন ভালো নেই। মন ভালো নেই। নির্নিমেষ ভাবলেশহীন চোখে তাকিয়ে থাকে আমাদের পিতা। তার মন ভালো নেই।
সেই থেকে মানুষের প্রথম রোগ মন ভালো নেই। পিতাকে আঁকড়ে ধরলো আদিরোগ মন ভালো নেই। আমরা বয়ে চলেছি, বয়েই চলেছি, বয়ে চলবে আমাদের সন্তানেরা সেই মন ভালো নেই রোগ।
নারী; আদিকবি তাই আদিরোগ রোগ ধরাও গোপনে।
শিহাব সরকার
বাহারি পর্দা ঝোলে না আর জানালায়
কে বলে বাঈজিরা বিষাদে আছে,
যাই, শহরের বারোতলা ঘুরে আসি
ওরা সুরা দেবে, দ্রাক্ষা দেবে, আরো কিছু ...
কাউক্কেই তোয়াক্কা না ক'রে
গাড়লেরা যত্রতত্র ছড়িয়ে যায়
কবিতাবর্জ্য, মাথাভরা চৈত্রের রোদ।
ছাতার আড়ালে মুখ ঢেকে যারা চলে,
জানে মাথার গহিনে কালো মেঘ
গলি ধরে হেঁটে গিয়ে ধানকাটা মাঠে।
খুঁজে গেছি কত নিরিবিলি নদীতীর
পথ শেষ হয় সেই অন্ধকারে
উড়ছে ছিন্নপর্দা, পর্দার ওপারে উৎসব।
আলোক সোয়ারি
আহমদ জামাল জাফরী
আকাশে নদী জলে স্বেচ্ছাচারী ভাঙনের টান
জীবন ও মৃত্যুর অক্ষয় ডাক;
সত্য জেনেও মানুষ আনমনে থাকে।
আলোর রৌদ্র পাখায় ওড়ে খয়েরি পাতার নৈঃশব্দ্য প্রপাত
রূপালি শঙ্খের মতো আকাশে বেভুল পাখিদের গান
ঘাসফড়িংয়ের মাঠে মাঠে অপাপবিদ্ধ কানামাছির শৈশব
বেদনার মতো হেঁটে যায় বাষ্পরুদ্ধ পথ
বুকের ভেতর কাঁপছে আগুন নদী
অপরাহেপ্তর মাঠে নিষ্প্রভ বিকেল
নিমগ্ন প্রান্তরের দিকে স্তব্ধতার অনুনাদ
নিষেধের জানালায় জেগে থাকে জাদুরঙ চাঁদ
তবুও জীবন বড়ো মন্থর একা
খাদের কিনার ঘেঁষে এই ঘোর নিদাঘে
সারারাত বসে থাকি নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি
যৌথ আগুনে পুড়ে প্রামাণ্য দৃশ্যের ছায়াপর্ব
তবুও জীবনের দিকে হেঁটে যায় আলোক সোয়ারি।
আদিরোগ
রাবাত রেজা নূর
আদমের ঘর। চারিদিকে বাতাসের কোলাহল। মাটির মানুষের মন ভালো নেই। আদিরোগে আক্রান্ত আমাদের আদিপিতা। সেই আদিরোগ। মন ভালো নেই। মন ভালো নেই। নির্নিমেষ ভাবলেশহীন চোখে তাকিয়ে থাকে আমাদের পিতা। তার মন ভালো নেই।
সেই থেকে মানুষের প্রথম রোগ মন ভালো নেই। পিতাকে আঁকড়ে ধরলো আদিরোগ মন ভালো নেই। আমরা বয়ে চলেছি, বয়েই চলেছি, বয়ে চলবে আমাদের সন্তানেরা সেই মন ভালো নেই রোগ।
নারী; আদিকবি তাই আদিরোগ রোগ ধরাও গোপনে।
- বিষয় :
- পদাবলি