নারী
রাজনীতি ও নির্বাচনে ‘নারী প্রশ্ন’
খুশী কবির
খুশী কবির
প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৫১ | আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:০৪
| প্রিন্ট সংস্করণ
সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটে যাওয়া দুটি ভিন্নধর্মী ঘটনা আমাদের নারী নেতৃত্বের স্বরূপ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দিয়েছে। প্রথম ঘটনাটি হলো, রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে গড়ে ওঠা তীব্র প্রতিবাদ কর্মসূচি। হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে যে আন্দোলন দানা বেঁধেছে, সেখানে নারীদের উপস্থিতি কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিক নয়, বরং গুণগতভাবেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। হাদি ছিলেন একজন সুপরিচিত ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান অসামঞ্জস্যগুলো নিয়ে নতুন ধরনের প্রশ্ন উত্থাপন করছিলেন। তাঁকে যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে মোটরবাইক থেকে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করা হলো, তা এক কথায় অকল্পনীয় এবং দুঃখজনক। বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস দীর্ঘ, কিন্তু এমন ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত ‘টার্গেট কিলিং’ আমাদের ভয়ের সংস্কৃতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে ইনকিলাব মঞ্চের নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই আজ যেভাবে সোচ্চার হয়েছেন, বিশেষ করে নারীকর্মীদের যে নির্ভীক নেতৃত্ব আমরা রাজপথে দেখছি, তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে নারীর চিরন্তন লড়াকু সত্তারই বহিঃপ্রকাশ। দ্বিতীয় ঘটনাটি অবশ্য ভিন্ন বার্তা দেয়। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে গুরুত্বপূর্ণ নারী সদস্যদের পদত্যাগ। এনসিপিতে যে নারীরা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছিলেন এবং দলের কর্মসূচিতে অত্যন্ত সরব ভূমিকা পালন করতেন, তাদের কয়েকজন রাজনৈতিক ও আদর্শিক কারণে দল ত্যাগ করেছেন। দলটির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এককভাবে নির্বাচনের কথা বলা হলেও, শেষমেশ তারা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী আঁতাত গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি সর্বজনবিদিত যে, জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় গঠনতন্ত্র ও আদর্শিক অবস্থান থেকেই নারীদের প্রত্যক্ষ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে না। পদত্যাগকারী নারীদের মূল অভিযোগ ছিল, দলের এই নীতিগত ইউটার্ন বা জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে অগণতান্ত্রিকভাবে, তড়িঘড়ি করে। যদিও হাদি হত্যা এবং এনসিপির ভাঙন– দুটি ঘটনা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের, তবুও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এগুলো আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
সংস্কার ও রাষ্ট্রের সুবিধাবাদী নীরবতা
২০২৫ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে তাকালে নারী অধিকারের প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভূমিকা আমাদের হতাশ করে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত ‘নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন’ যে প্রতিবেদন পেশ করেছিল, তা নিয়ে সরকারের রহস্যজনক নীরবতা অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। একটি বিশেষ কট্টরপন্থি গোষ্ঠী যখন অকথ্য ভাষায় এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এই প্রতিবেদনের বিরোধিতা শুরু করল, তখন আশা করা হয়েছিল সরকার তার অবস্থান পরিষ্কার করবে। কিন্তু সরকার এ বিষয়ে ছিল নির্বিকার। তারা প্রতিবেদনটি গ্রহণ করছে কিনা, এর সুপারিশগুলো বাস্তবায়নযোগ্য কিনা, বা এ নিয়ে কোনো উন্মুক্ত আলোচনা হবে কিনা– সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা রোডম্যাপ পাওয়া যায়নি। এমনকি রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত ‘ঐকমত্য কমিশন’-এর আলোচনাতেও নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো দুর্ভাগ্যজনকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে।
রাষ্ট্রের এই নীরবতা কি কৌশলগত, নাকি আপসকামিতা– সে প্রশ্ন এখন প্রবল। মূলধারার গণমাধ্যমে সব সময় নারীদের এই বঞ্চনার কথা বা তাদের ক্ষোভের কথা গুরুত্ব পায় না। কিন্তু আশার কথা হলো, সামাজিক মাধ্যম এখন নারীদের প্রতিবাদের বিকল্প প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। সেখানে নারীরা ছিলেন যথেষ্ট সরব। তারা রাজনৈতিক দল ও ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, লেখালেখি করেছেন এবং রাজনৈতিক পরিসরে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন। বিভিন্ন ফোরামে নারীদের এই যে রাজনৈতিক সক্রিয়তা, তা প্রমাণ করে, রাষ্ট্র বা মূলধারার রাজনীতি তাদের উপেক্ষা করতে চাইলেও, নারীরা তাদের অধিকারের প্রশ্নে আপস করতে প্রস্তুত নন।
২০২৬-এর নির্বাচন ও চ্যালেঞ্জ
আগামী বছর, বিশেষ করে ২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের বিষয়টি একটি বড় ইস্যু হয়ে সামনে আসবে। এই নির্বাচনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি দীর্ঘ কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর একটি বড় পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংসদ যখন বসবে, তখনও নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, মর্যাদা ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। ২০২৬ সালে নারীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রচুর আলোচনা, বিতর্ক ও লেখালেখি হবে বলে আমি মনে করি। নারী সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি গণতন্ত্রকামী মানুষরাও এ বিষয়গুলো সামনে আনবেন। তবে মূল দেখার বিষয় হলো, যারা ক্ষমতায় আসবেন বা আসতে চাচ্ছেন, তাদের চিন্তাভাবনা আসলে কী? তারা কি নারীকে কেবল ‘রিজার্ভ সিট’ বা সংরক্ষিত আসনের অলংকার হিসেবেই দেখতে চান, নাকি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চান? রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা না থাকলে জাতীয় পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়। নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর কাছে সংসদকে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে। কেবল ইশতেহারে নারী উন্নয়নের গালভরা প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, মনোনয়ন বোর্ড থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা পর্যন্ত নারীর আনুপাতিক ও গুণগত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
নতুন বছরের প্রত্যাশা ও রূঢ় বাস্তবতা
নতুন বছরে আমার প্রত্যাশা–রাজনৈতিক দলগুলো যেন নারীর মর্যাদা ও সম্মান বিষয়ে সত্যিকার অর্থে সচেতন হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের সমাজে এবং রাজনীতিতে নারীর প্রতি সম্মান ও অধিকারবোধের অভাব প্রকট। নারীকে এখনও মানুষ হিসেবে দেখার চেয়ে ‘নারী’ হিসেবে দেখার প্রবণতা বেশি। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই জন্ম নেয় সহিংসতা, হিংস্রতা ও অপমান। নারীর নিরাপত্তাহীনতা আজ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঘরে-বাইরে, অনলাইনে, কর্মক্ষেত্রে, এমনকি রাজনৈতিক পরিসরেও নারীরা নিরাপদ নন।
যদি এই অপরাধগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হয় এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায়, তবেই নিপীড়ন কমবে। অন্যথায়, এর ফলাফল হবে ভয়াবহ। আমরা যদি মনে করি, নারীর ওপর সহিংসতা কেবল নারীর সমস্যা, তবে আমরা ভুল করব। এটি পুরো সমাজের পচনের লক্ষণ। আমাদের সমাজের ৫১ ভাগই নারী। অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিনির্ধারণের সময় পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও মতামত উপেক্ষিতই থেকে যায়। আশা করি, ২০২৬ সালে আমরা যে নতুন সরকার পাব, তারা এই বিষয়টিকে মূল আলোচনায় নিয়ে আসবে। রাজনৈতিক দলগুলোর আসন্ন নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর মর্যাদাসহ ‘নারী প্রশ্নে’ তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানা প্রয়োজন। ভোটারদেরও অধিকার আছে জানার, যে দলকে তারা ভোট দিচ্ছেন, নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন নিয়ে তাদের রোডম্যাপ কী।
নিরাপত্তা বনাম বন্দিত্ব
নারীর নিরাপত্তার কথা বলে তাকে ঘরে বন্দি রাখার যে প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তা ভুল এবং আত্মঘাতী। কিছু গোষ্ঠী প্রচার করতে চায়, নারীকে জনপরিসর থেকে সরিয়ে ঘরের অন্দরে রাখলেই সে নিরাপদ থাকবে। নিরাপত্তা মানে নারীকে অদৃশ্য করে ফেলা নয়, বরং নিরাপত্তা মানে হলো, নারী রাত-বিরাতে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে সব জায়গায় নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারবে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা। নারীকে ঘরে বন্দি করার উপদেশ না দিয়ে রাষ্ট্রকে বরং ধর্ষক ও নিপীড়কদের বন্দি করার ব্যবস্থা করতে হবে। নারীর পোশাক বা চলাফেরায় সমস্যা না খুঁজে, পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি বদলানোর দিকে নজর দিতে হবে।
চব্বিশের অভ্যুত্থানে নারীর অংশগ্রহণ ও পরবর্তী বিস্মৃতি
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত অনেক অভ্যুত্থান ও আন্দোলন হয়েছে। ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন– সবকিছুরই একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল। কিন্তু চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল চরিত্রের দিক দিয়ে ভিন্ন। কোটা সংস্কার থেকে শুরু হওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন সরকারের দমনপীড়নের মুখে শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের এক দফা দাবিতে পরিণত হয় এবং এতে দলমতনির্বিশেষে আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেয়। এই আন্দোলনে নারীর, বিশেষ করে ছাত্রীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তারা পুলিশের লাঠি, টিয়ার শেল ও বুলেটের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সেই লড়াকু নারীদের উপস্থিতি কতটা দৃশ্যমান? সবাই একই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যোগ দেননি। অনেক শিক্ষার্থী পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে, কেউ কেউ নতুন মঞ্চ গড়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে নারীর উপস্থিতি কি আনুপাতিক হারে বেড়েছে? এবার দীর্ঘ সময় পর যেহেতু একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেখানে নারীর অংশগ্রহণ কম থাকলে তা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন উঠবে। অভ্যুত্থানের সময় নারী রাস্তায় থাকবে আর ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারার সময় তারা অদৃশ্য হয়ে যাবে– এই ঐতিহাসিক বঞ্চনার পুনরাবৃত্তি চব্বিশে হয়েছে।
ভোটারের দায় ও আগামীর সিদ্ধান্ত
যারা আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন, তাদের কাছে সাধারণ ভোটারদের প্রশ্ন থাকা উচিত– দেশের ৫১ ভাগ জনগোষ্ঠীর ব্যাপারে আপনাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান কী? আপনারা কি কেবল তাদের ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করবেন, নাকি নীতিনির্ধারণে তাদের অংশীদার করবেন? যেখানে নারীর সঠিক মূল্যায়ন নেই, নারীর মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগ নেই, সচেতন নাগরিকরা সেই প্রার্থী বা দলকে ক্ষমতায় আনবে না বলেই আমার বিশ্বাস।
গ্রামের মানুষও এখন প্রশ্ন করতে শিখেছে। তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের কারণে মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা দেখছে কোন দল নারীর অধিকারের পক্ষে কথা বলে আর কারা নারীর অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করতে চায়। খেয়ালিপনা না করে আশা করি, ভোটাররা নিজের ভোট দেওয়ার আগে সঠিকভাবে চিন্তা করবেন। আবেগের বশবর্তী হয়ে বা হুজুগে গা না ভাসিয়ে, বিচার-বিবেচনা করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, একটি ভুল সিদ্ধান্ত আমাদের আবারও দীর্ঘমেয়াদি অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারে। নারীর মুক্তি ছাড়া সমাজের মুক্তি অসম্ভব– এই সত্যটি অনুধাবন করেই আমাদের আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হবে। চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে যে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের আলোচনা শুরু হয়, এর প্রধান শর্তই হলো নারীর অংশগ্রহণ। কিন্তু সাম্প্রতিক জোট রাজনীতির নতুন মেরূকরণ এবং সংস্কার কমিশনের প্রতি রক্ষণশীলদের বিরূপ মনোভাব ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাজনীতিতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণের পথ অচিরেই মসৃণ হবে না।
লেখক : মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব
