খাগড়াছড়িতে পাহাড় কাটা
প্রশাসনের ঘুম ভাঙুক
×
হাসপাতাল কর্মচারী মুন্না হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেন তার সহকর্মীরা - সমকাল
--
প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২০ | ১২:০৮
কখনও উন্নয়নের নামে, কখনও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থকরণে বিভিন্ন সময় কীভাবে পার্বত্য এলাকায় পাহাড় কাটার অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ড ঘটেছে, আমরা জানি। সোমবার সমকালে প্রকাশিত একটি সচিত্র প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে বসতি স্থাপনের যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা আমাদের উদ্বিগ্ন না করে পারে না। ফলে পাহাড় ধসের ঝুঁকিই শুধু বাড়ছে না, পরিবেশ-প্রতিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। পাহাড় কেটে খাগড়াছড়িতে প্রথমে আবাসিক প্লট সৃষ্টি ও পরে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে প্রভাবশালী চক্রের রমরমা ব্যবসার অভিযোগ কোনোভাবেই প্রতিকারহীন থাকতে পারে না। তারা এ ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ না করার হুমকিও দিয়েছেন সংবাদকর্মীদের। আমাদের প্রশ্ন, তাদের খুঁটির জোর কোথায়? শুধু ব্যক্তি বা মহলবিশেষই নয়, পরিবেশ আইন অমান্য করে উন্নয়নের নামে সরকারের বিভিন্ন বিভাগও এই আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডে পিছিয়ে নেই। পার্বত্য এলাকায় বিগত কয়েক বছরে পাহাড় ধসে মর্মান্তিক অধ্যায়ের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু পার্বত্য এলাকায় নয়, সারাদেশেই কমবেশি এমন ধ্বংসাত্মক কাণ্ড চলছে। কিছু অবিমৃশ্যকারী অবলীলায় পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন করছে সব বাধাবিপত্তি, আইনগত নিষেধাজ্ঞা, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি উপেক্ষা করে। প্রশাসনের নাগের ডগায় কীভাবে এমন ধ্বংসাত্মক কাণ্ড
চলছে, এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায় তারা এড়াতে পারে না। প্রকৃতির প্রতিশোধ বলে একটা কথা আছে। আমরা ইতোমধ্যে কয়েকবার পাহাড় ধসে মর্মান্তিকতায় এর সাক্ষ্য পেয়েছি। বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে- পাহাড় কাটা আইনত নিষিদ্ধ হলেও স্থানীয় প্রশাসনের হাতে পাহাড় লিজ দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে! বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাহাড়-টিলা লিজ দেওয়া হয়েছে কিংবা হচ্ছে। লিজগ্রহীতারা পাহাড় ধ্বংস করছেন। এই সর্বনাশা কর্মকাণ্ড বন্ধ করতেই হবে। একই সঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ ও পুনর্বাসনেও সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। ইতোমধ্যে গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হোক। প্রশাসন সজাগ হবে ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
চলছে, এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায় তারা এড়াতে পারে না। প্রকৃতির প্রতিশোধ বলে একটা কথা আছে। আমরা ইতোমধ্যে কয়েকবার পাহাড় ধসে মর্মান্তিকতায় এর সাক্ষ্য পেয়েছি। বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে- পাহাড় কাটা আইনত নিষিদ্ধ হলেও স্থানীয় প্রশাসনের হাতে পাহাড় লিজ দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে! বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাহাড়-টিলা লিজ দেওয়া হয়েছে কিংবা হচ্ছে। লিজগ্রহীতারা পাহাড় ধ্বংস করছেন। এই সর্বনাশা কর্মকাণ্ড বন্ধ করতেই হবে। একই সঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ ও পুনর্বাসনেও সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। ইতোমধ্যে গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হোক। প্রশাসন সজাগ হবে ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
- বিষয় :
- পাহাড় কাটা
