ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

দশ টাকা কেজি চাল

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করুন সর্বাগ্রে

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করুন সর্বাগ্রে
×

ফাইল ছবি

--

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২০ | ১৩:৫০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

করোনা সংকটকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে ১০ টাকা কেজি দরে ঢাকাসহ সব জেলা শহরে চাল বিক্রির কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। শনিবার সমকালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড যাদের আছে তারাই শুধু এ সুবিধা পাবেন। করোনা সংকট না কাটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য সুরক্ষায় এই উদ্যোগ সময়োপযোগী। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় আপৎকালীন এমন কর্মসূচি এর আগেও বিভিন্ন সময় নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারের এমন মহৎ উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নকারীদের অনিয়মের কারণে উদ্দিষ্ট সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত হওয়ার দৃষ্টান্তও আমাদের সামনে রয়েছে। আমরা জানি, সাধারণ ছুটি ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কারণে মানুষ ঘরে অবস্থান করায় শ্রমজীবীরা খাদ্য সংকটে পড়েছেন উপার্জনহীনতার কারণে।

এ অবস্থায় পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী যাতে সরকারের এই কর্মসূচির সুফল পায় তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন মহলের কঠোর অবস্থান জরুরি। আমরা এও আমলে রাখতে বলি, যাতে ভোক্তারা নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চাল সংগ্রহ করতে পারেন সে রকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য খোলা মাঠ বা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় পরিসরে বিক্রয়ের আয়োজন করা যেতে পারে। অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে অতীত অভিজ্ঞতা আমলে রেখে। একই সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে পরিসর আরও বিস্মৃত করতে উপজেলা পর্যায়েও এই কর্মসূচি চালু করা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। কারণ কর্মহীনতার ছায়া পড়েছে সর্বত্রই। গ্রামের মানুষের বরং সাশ্রয়ী মূল্যে চাল পাওয়া বেশি জরুরি। বণ্টন কিংবা বিক্রয় ব্যবস্থা যদি সুচারু না হয় তাহলে এই খাদ্য সুরক্ষার সুফল সুবিধাবঞ্চিতরা পাবেন না। দায়িত্বশীল কেউ যদি অনিয়ম-দুর্নীতি করে ভুক্তভোগীদের সুবিধাবঞ্চিত করেন তাহলে এর তাৎক্ষণিক প্রতিকার নিশ্চিত করতেই হবে।

আরও পড়ুন

×