ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

অর্থনীতি

বাজেটে বিনিয়োগের রূপরেখা: সমস্যা ও সম্ভাবনা 

বাজেটে বিনিয়োগের রূপরেখা: সমস্যা ও সম্ভাবনা 
×

মাহমুদুল হাসান কমল

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬ | ১৯:৫৬

দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে বিনিয়োগ-জিডিপি অনুপাত দীর্ঘদিন ধরে একটি কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। মোট বিনিয়োগ-জিডিপি অনুপাত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল প্রায় ২৯.৩ শতাংশ, যেখানে বেসরকারি বিনিয়োগের অংশ ছিল প্রায় ২৩ শতাংশ– ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো প্রতিযোগী অর্থনীতির ৩০-৩৫ শতাংশের তুলনায় যা যথেষ্ট কম। বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগ বাংলাদেশে জিডিপির ১ শতাংশের নিচে স্থির হয়ে আছে বছরের পর বছর, যেখানে ভিয়েতনামে এই হার ৪-৬ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ায় ১১-১৩ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায়। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ বাজেটে ঘোষিত ‘ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর’-এর দর্শন সময়োপযোগী এবং সঠিক দিকনির্দেশনাবাহী। তবে প্রশ্ন হলো, এই দর্শনের পেছনে কতটা বাস্তবায়নযোগ্য কাঠামো এবং কতটা পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান রয়েছে, তা পরীক্ষা করা। এই নিবন্ধে ডিরেগুলেশন এজেন্ডা, অর্থায়ন কাঠামো, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং স্পোর্টস ইকোনমি– এই চারটি স্তম্ভকে তুলনামূলক উপাত্ত সহযোগে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি উদ্যোগের পেছনের যুক্তি, বরাদ্দের পরিমাণ এবং বাস্তবায়নযোগ্যতা একসঙ্গে মূল্যায়িত হয়েছে।

বিএনপি সরকার বিনিয়োগ সহজীকরণে যে নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছে, তা উচ্চাভিলাষী এবং সংখ্যাগতভাবে স্পষ্ট। সিঙ্গল উইন্ডো পদ্ধতিতে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ সাত দিনে সম্পন্নকরণ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ভিসা প্রদান কার্যক্রম ১০ দিনে সম্পাদন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি নিবন্ধন সম্পন্নকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এএইও (অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর) পদ্ধতিতে গ্রিন চ্যানেলে পণ্য খালাস সুবিধা এবং প্লাগ অ্যান্ড প্লে বিনিয়োগ সুবিধা প্রবর্তনের ঘোষণাও এসেছে। এই প্রতিশ্রুতিগুলোকে প্রেক্ষাপটে রাখতে হবে বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস সূচকের ইতিহাসের নিরিখে। বাংলাদেশ এই সূচকে দীর্ঘদিন ধরে ১৯০টি দেশের মধ্যে ১৬৮তম স্থানের কাছাকাছি অবস্থান করেছে, যেখানে ব্যবসা শুরু করার জন্য গড়ে ৩৩ দিনের বেশি এবং আটটিরও বেশি প্রক্রিয়াগত পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়েছে অতীতে। তুলনামূলকভাবে, ভিয়েতনাম তার কোম্পানি নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে ১৬ দিন থেকে কমিয়ে গড়ে তিন দিনে নিয়ে এসেছে একটি সুসংহত ডিজিটাল ওয়ান-স্টপ সার্ভিস বাস্তবায়নের মাধ্যমে এবং সিঙ্গাপুরে কোম্পানি নিবন্ধন এক দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হয়।

সুতরাং ৪৮ ঘণ্টায় কোম্পানি নিবন্ধনের লক্ষ্য আঞ্চলিক মানদণ্ডে অসম্ভব নয়, কিন্তু এর বাস্তবায়ন নির্ভর করে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মের নিবন্ধক দপ্তর (আরজেএসসি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মধ্যে রিয়েল-টাইম ডেটা ইন্টিগ্রেশনের ওপর। বাজেট দলিলে এই আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক ডিজিটাল সংযোগের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তি বিনিয়োগের পরিমাণ বা সময়সীমা উল্লেখ নেই, যা ঘোষণা ও বাস্তবায়নের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাঁক তৈরি করে। অতীতে একাধিক সরকার ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যা ২০১৬ সালে বিডার অধীনে ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন প্রণয়নের পরেও বাস্তবে অধিকাংশ সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল হতে পারেনি এবং বিনিয়োগকারীদের এখনও একাধিক দপ্তরে ভৌতিকভাবে যোগাযোগ করতে হয়। এই ঐতিহাসিক প্রবণতা বিবেচনায় রেখে, বর্তমান প্রতিশ্রুতিকে সংশয়াতীতভাবে গ্রহণ করা অর্থনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় বহন করে না।

বিনিয়োগ অর্থায়ন পরিকাঠামো 
বাজেটে ঘোষিত ই-লোন ব্যবস্থায় ১২ মাস মেয়াদে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ঋণ প্রদানের সুবিধা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য একটি প্রবেশগম্য আর্থিক হাতিয়ার হতে পারে, কিন্তু এই পরিমাণের পর্যাপ্ততা বিচার করতে হবে বাস্তব প্রেক্ষাপটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক মূলধন প্রয়োজন হয় গড়ে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা। সুতরাং ৫০ হাজার টাকার ই-লোন একটি সম্পূরক ব্যবস্থা হতে পারে, কিন্তু এটিকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ তথা এসএমই খাতের রূপান্তরকারী হাতিয়ার বলা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এসএমই উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ বিতরণে বরাদ্দকৃত দুই হাজার কোটি টাকা সংখ্যাগতভাবে বড় মনে হলেও বাংলাদেশে নিবন্ধিত এসএমইর সংখ্যা এক কোটির কাছাকাছি (এসএমই ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুসারে), যার অর্থ গড়ে প্রতি প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ দাঁড়ায় মাত্র দুই হাজার টাকার আশপাশে– যা বাস্তবিক অর্থে নগণ্য।

করপোরেট বন্ড বাজার সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতিও গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক নির্দেশ করে। বাংলাদেশের বন্ড মার্কেট জিডিপির ১ শতাংশেরও কম, যেখানে মালয়েশিয়ায় এই অনুপাত ৫০ শতাংশের বেশি এবং ভারতে প্রায় ১৮ শতাংশ। দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প অর্থায়নে বন্ড, সুকুক ও অবকাঠামো তহবিলের ব্যবহার বৃদ্ধির ঘোষণা সঠিক দিকনির্দেশনা বহন করে, কিন্তু বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের গভীরতার অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সীমিত উপস্থিতি এবং রেটিং এজেন্সির অপরিণত ব্যবস্থা– এই কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো সমাধান না হলে কেবল নীতিগত ঘোষণা বাজারের গভীরতা তৈরি করতে পারবে না।

ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ গত অর্থবছরের এক লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা থেকে কমিয়ে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকায় আনার সিদ্ধান্ত তাত্ত্বিকভাবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের সুযোগ তৈরি করে। তবে বাস্তবে ব্যাংকিং খাতে ৩৫.৭৩ শতাংশ খেলাপি ঋণের পরিস্থিতিতে এই ‘অতিরিক্ত পরিসর’ বেসরকারি খাতে পৌঁছাবে কিনা, তা নির্ভর করে ব্যাংকগুলোর ঋণযোগ্যতা মূল্যায়ন সক্ষমতা এবং ঝুঁকি গ্রহণের ইচ্ছার ওপর। কেবল সরকারি ঋণ গ্রহণ কমানো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ায় না, যদি ব্যাংকগুলো ঝুঁকি এড়িয়ে তারল্য ধরে রাখে।
ক্রিয়েটিভ ইকোনমি
বাজেটে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকে একটি স্বতন্ত্র খাত হিসেবে চিহ্নিত করার প্রয়াসটি নিজেই একটি ইতিবাচক রূপান্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় সৃজনশীল শিল্পকে প্রথমবারের মতো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। ঢাকার পূর্বাচলে ১৬০ একর জমির ওপর পিপিপি মডেলে একটি বিশ্বমানের ক্রিয়েটিভ হাব স্থাপন, দেশজুড়ে আঞ্চলিক সৃজনশীল হাব গড়তে ১০ বছরের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়ন, দেশীয় ডিজাইনারদের সমন্বয়ে একটি ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনারস’ গঠন এবং ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ উদ্যোগের আওতায় মৃৎশিল্প, বুনন শিল্প, শীতলপাটি ও শতরঞ্জির মতো ক্রিয়েটিভ পণ্য চিহ্নিতকরণের উদ্যোগ– এসব নীতিগত দিক থেকে সুচিন্তিত।

কিন্তু সংখ্যার নিরিখে পরীক্ষা করলে একটি অসামঞ্জস্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনা মিলিয়ে মোট ৮০০ কোটি টাকা, যা ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের মাত্র ০.০৮৫ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে ভারতের ক্রিয়েটিভ ইকোনমি (যাকে তারা ‘অরেঞ্জ ইকোনমি’ নামেও অভিহিত করে) ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের জিডিপিতে প্রায় ২.৫ শতাংশ অবদান রেখেছিল এবং সরকার নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল শিল্প তহবিলে কয়েক হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ দিয়েছিল। ইন্দোনেশিয়া তার ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এজেন্সিকে স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ের মর্যাদা দিয়ে বছরে শত শত মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করে, যা সেক্টরটিকে জিডিপির ৭ শতাংশের বেশি অবদানে উন্নীত করতে সহায়তা করেছে। বিএনপি সরকারের ৮০০ কোটি টাকার বরাদ্দে ১৬০ একর জমির ওপর একটি বিশ্বমানের অবকাঠামো নির্মাণ, জাতীয় ডিজাইনার পুল গঠন এবং একই সঙ্গে গ্রামীণ হস্তশিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ– এই তিনটি ব্যাপক উদ্যোগ একসঙ্গে অর্থবহভাবে বাস্তবায়িত হওয়া আর্থিক বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে প্রতীয়মান হয়। পিপিপি মডেলে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা থাকলে সরকারি বরাদ্দের আপাত অপ্রতুলতা আংশিকভাবে যুক্তিযুক্ত হতে পারে, কিন্তু বাজেট দলিলে এই বেসরকারি অংশগ্রহণের প্রকৃতি ও পরিমাণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রক্ষেপণ পাওয়া যায় না।

কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ ও সামগ্রিক ঝুঁকি
এই খাতের সামগ্রিক চ্যালেঞ্জগুলো তিনটি স্তরে বিভক্ত করা যায়। প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতা। বিনিয়োগ সহজীকরণের জন্য ন্যূনতম পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের (বিডা, আরজেএসসি, এনবিআর, পরিবেশ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার সংস্থা) মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন এবং ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় একটি দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের সম্পর্ক। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা সাধারণত স্বল্পমেয়াদি নীতি পরিবর্তনের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতাকে অধিক গুরুত্ব দেয়; একটি নতুন সরকারের অধীনে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা একটি স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জ, যা বাজেট ঘোষণার মাধ্যমে একক রাতে সমাধান হয় না।  
এর পাশাপাশি বাংলাদেশের শ্রম উৎপাদনশীলতা সূচকও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। এশিয়ান প্রডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুসারে বাংলাদেশের শ্রম উৎপাদনশীলতা ভিয়েতনামের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কম, যা বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে শুধু নিয়ন্ত্রক সহজীকরণের চেয়েও বেশি গুরুত্ব বহন করে। সুতরাং বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল যদি কেবল প্রশাসনিক সহজীকরণে সীমাবদ্ধ থাকে এবং দক্ষতা উন্নয়ন বা অবকাঠামোগত প্রতিযোগিতা সক্ষমতার সঙ্গে সমন্বিত না হয়, তবে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ বৃদ্ধি অধরা থাকতে পারে।

সুপারিশ ও নীতিগত সমাধান 
কয়েকটি বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ উপস্থাপন করা যায়। প্রথমত, ৪৮ ঘণ্টার কোম্পানি নিবন্ধন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশন রোডম্যাপ প্রকাশ করা প্রয়োজন, যার মধ্যে আরজেএসসি-এনবিআর ও বিডার মধ্যে এপিআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম ডেটা শেয়ারিং অন্তর্ভুক্ত থাকবে। দ্বিতীয়ত, ক্রিয়েটিভ ইকোনমির ক্ষেত্রে সরকারি বরাদ্দকে একটি ‘সিড ফান্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করে, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে নির্দিষ্ট অর্থ সহ-অর্থায়নের চুক্তি প্রকাশ্যে ঘোষণা করা উচিত, যাতে প্রকৃত আর্থিক সংস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তৃতীয়ত, করপোরেট বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সির সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী (পেনশন ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি) তৈরির জন্য পৃথক নিয়ন্ত্রক সংস্কার আনতে হবে। চতুর্থত, এসএমই ঋণ কাঠামোতে ই-লোনের পাশাপাশি একটি স্তরভিত্তিক ঋণ ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে, যেখানে ৫০ হাজার টাকার সূচনা ঋণের পর প্রমাণিত উদ্যোক্তাদের জন্য পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পরবর্তী স্তরের ঋণ সহজলভ্য হবে। 

মাহমুদুল হাসান কমল: মুখপাত্র, বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ)

আরও পড়ুন

×