ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ছন্দের আনন্দে সঞ্চারী নৃত্যকলা

২০ সংগঠনের অংশগ্রহণ

ছন্দের আনন্দে  সঞ্চারী নৃত্যকলা
×

সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমির উৎসবে নৃত্য পরিবেশন করেন একটি সংগঠনের সদস্যরা সমকাল

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬ | ০৭:০২ | আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ | ০৭:০২

| প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ব নৃত্য দিবস উপলক্ষে সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো মনোমুগ্ধকর নৃত্য উৎসব ‘এসো ছন্দের আনন্দযজ্ঞে’। গত ২৯ এপ্রিল নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে এ উৎসব নৃত্যপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক নৃত্যশিল্পী স্বপন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এটিএন মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেডের সিইও সাজেদুল রহমান মুনিম। 
বিশেষ অতিথি ছিলেন এটিএন বাংলার এডুকেশন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রুকসানা আক্তার রিনি এবং চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদ। 
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বক্তারা বিশ্ব নৃত্য দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, নৃত্য কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি মানুষের অনুভূতি ও মনের ভাব প্রকাশের এক শক্তিশালী ভাষা। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সমাজে সম্প্রীতি গড়ে তুলতে নৃত্যের ভূমিকা অপরিসীম।

সভাপতির বক্তব্যে স্বপন বড়ুয়া বলেন, নতুন প্রজন্মকে নৃত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে নৃত্যশিল্পের বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। 
অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে নৃত্য শিক্ষায় অবদান রাখা গুণী নৃত্যশিল্পীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। বান্দরবান থেকে আসা অতিথি শিল্পী একিনু শামা ও তাঁর দলের পরিবেশনা ছিল উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ, যা দর্শকদের ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দেয়।
সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমির ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশনায় প্রায় ১৫টি মনোমুগ্ধকর নৃত্য উপস্থাপন করা হয়। এসব পরিবেশনায় দেশীয় লোকজ, শাস্ত্রীয় ও সমসাময়িক নৃত্যের অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায়। 
প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল শৈল্পিকতা, নিখুঁত অভিব্যক্তি এবং সংগীতের সঙ্গে সুনিপুণ সামঞ্জস্য, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে তোলে। পরিবেশনা চলাকালে দর্শকদের করতালিতে মিলনায়তন বারবার মুখর হয়ে ওঠে।
এছাড়া চট্টগ্রামের প্রায় ২০টি নৃত্য সংগঠন উৎসবে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা ও নৃত্যদক্ষতার পরিচয় দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেন। ফলে পুরো আয়োজনটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বান্দরবানের শিল্পীদের পরিবেশনায় পাহাড়ি সংস্কৃতির ছোঁয়া পুরো মিলনায়তনে ভিন্ন আবহ সৃষ্টি করে এবং দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে।
 

আরও পড়ুন

×