ঢাকা রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সাক্ষাৎকার : ডা. আবু তৈয়ব

জনবল সংকটে সেবা ব্যাহত হচ্ছে

জনবল সংকটে সেবা  ব্যাহত হচ্ছে
×

ডা. আবু তৈয়ব

ডা. আবু তৈয়ব, ভারপ্রাপ্ত প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা, চবি মেডিকেল সেন্টার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬ | ০৭:২০

| প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) মেডিকেল সেন্টারের সবচেয়ে বড় সমস্যা কোথায়? এই প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, ‘জনবল সংকটই সবচেয়ে বড় সমস্যা। জরুরি বিভাগে অন্তত দুজন দরকার, কিন্তু একজন ড্রেসার দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। ডাক্তারের পদও যথেষ্ট নয়। অ্যাম্বুলেন্সের জন্য তিন শিফটে নয়জন চালক দরকার, আছেন মাত্র ছয়জন। তাদের বাধ্য হয়ে ১২ ঘণ্টা করে ডিউটি করতে হচ্ছে। এই সংকট দীর্ঘদিনের। আমরা বারবার চাহিদাপত্র দিয়েছি, কিন্তু সমাধান এখনও আসেনি।’
আলট্রাসনোগ্রাম সপ্তাহে মাত্র তিন দিন চালু থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই বিভাগে মাত্র একজন চিকিৎসক আছেন। তিনি যে তিন দিন ডিউটি করেন, সেসব দিনই সেবা মেলে। বাকি চার দিন কক্ষ তালাবদ্ধ থাকে। একাধিক চিকিৎসক নিয়োগ দিতে পারলে সাত দিনই সেবা চালু রাখা সম্ভব। ইসিজি ইউনিটেও একই সমস্যা। যে টেকনোলজিস্ট ইসিজি করেন, তিনি একই সঙ্গে প্যাথলজি বিভাগেও কাজ করেন।’
জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আছে। এই বিষয়ে ডা. আবু তৈয়ব বলেন, ‘ডায়াগনোসিস অনেকটাই অভিজ্ঞতানির্ভর, চিকিৎসকভেদে তা ভিন্ন হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট অভিযোগ এলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কাছে অবশ্যই ব্যাখ্যা চাওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়মিত মিটিংয়ে চিকিৎসকদের সেবার মান উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। নতুন চিকিৎসকদের একাডেমিক আপগ্রেডেশনের জন্যও আবেদন করা হয়েছে।’
সমস্যা সমাধানে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের এপ্রিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জনবল ও সরঞ্জামের বিস্তারিত চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনেও (ইউজিসি) তা পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। তবে শুধু চিঠি চালাচালিতে সমাধান হবে না, প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।’
 

আরও পড়ুন

×