বিজ্ঞান নিয়ে ছোট্টদের আনন্দমেলা
নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
খুদে শিক্ষার্থীদের একটি বিজ্ঞান প্রজেক্ট
সাহস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬ | ০৯:০৬
নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল সম্প্রতি 'বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শনী'র আয়োজন করেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের সম্মিলিত প্রচেষ্টার এক অভূতপূর্ব প্রদর্শনী দেখা গেছে এই আয়োজনে। বৃহস্পতিবার ২১ মে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে। সেখানে স্কুলের প্রিন্সিপাল মারিয়াম নূর ইউনুস এবং অভিভাবকগণ স্কুলের শক্তি, সম্ভাবনা ও শক্তিশালী স্কুল-কমিউনিটি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কীভাবে আরও সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন। অভিভাবকগণ স্কুলের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষক ও স্কুল নেতৃত্বের কাজের প্রতি উৎসাহব্যঞ্জক মন্তব্য প্রদান করেন।
আলোচনা সভা শেষে অভিভাবকগণ শিক্ষার্থীদের প্রদর্শনীগুলো পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক অনুসন্ধানের প্রতিফলন ঘটিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। কিন্ডারগার্টেনের খুদে শিক্ষার্থীরা ঋতুচক্র এবং অঙ্কুরোদগমের মতো বিজ্ঞান প্রজেক্ট পাশাপাশি স্কুলের 'সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সপ্তাহ' উদযাপনের অংশ হিসেবে শ্রীলঙ্কা সম্পর্কে তাদের শিক্ষা প্রদর্শন করে। তাদের উপস্থাপনায় শ্রীলঙ্কার খাবার, উৎসব এবং মানুষের জীবনযাত্রার বিভিন্ন দিক ফুটে ওঠে। স্কুলের সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এই আত্মবিশ্বাসের সাথে দর্শকদের সামনে কথা বলতে দেখা ছিল সত্যিই মুগ্ধকর।
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা দিন ও রাত, খাদ্যশৃঙ্খল এবং ফুড পিরামিডের মতো বিষয়ের ওপর প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। এছাড়া সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সপ্তাহের অংশ হিসেবে তারা থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং চীনসহ বিভিন্ন দেশের ওপর গবেষণা এবং প্রেজেন্টেশন প্রদান করে।
প্রজেক্টগুলোতে যেমন বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান এবং অনুসন্ধান-ভিত্তিক শিক্ষার প্রতিফলন ছিল, তেমনি শিক্ষার্থীদের সাবলীল ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক।
বিজ্ঞান মেলা এবং প্রদর্শনীর মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের কেবল একাডেমিক বিষয় শেখার সুযোগই দেয় না, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস, জনসমক্ষে কথা বলার ক্ষমতা এবং আন্তঃব্যক্তিক দক্ষতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।
শিশুদের বিকাশে সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রিন্সিপাল মারিয়াম নূর ইউনুস বলেন, "আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আত্মবিশ্বাস দেখেছি, তা রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। এটি নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, সহায়তাকারী অভিভাবক এবং শিশুদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস করতে শেখানোর সম্মিলিত ফল। যখন স্কুল এবং পরিবার একটি কমিউনিটি হিসেবে একত্রে কাজ করে, তখন শিশুরা অসাধারণভাবে বিকশিত হয়।"
- বিষয় :
- বিজ্ঞান
- শিক্ষার্থী
