বল টেম্পারিং আইনের বিপক্ষে ওয়াকার
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২০ | ০৩:৩২
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সব ধরণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্থগিত আছে। টেস্ট খেলুড়ে ও আইসিসির সদস্য দেশগুলোতে ঘরোয়া ক্রিকেটও হচ্ছে না। তবে করোনা পরবর্তী ক্রিকেট শুরু হলে, বদলে যেতে পারে কিছু দৃশ্য। তার মধ্যে অন্যতম থুতু বা ঘাম দিয়ে বল ঘষা।
করোনা পরবর্তী তাই মাঠে ক্রিকেট গড়ালে আইসিসি বল টেম্পারিং আইন ‘বৈধ’ করা নিয়ে ভাবছে। বিশেষ করে টেস্টে। সেক্ষেত্রে আইসিসি আম্পায়ারের সামনে কাপড় জাতীয় কিছু দিয়ে বল ঘষার বৈধতা দেওয়া নিয়ে ভাবছে। আইসিসির কমিটি ও এমসিসির কমিটি এ নিয়ে আলোচনায় বসতে পারে। তবে এরই মধ্যে এর পক্ষে বিপক্ষে কথা শুরু হয়ে গেছে।
সাবেক অস্ট্রেলিয়ার পেসার গিলেস্পি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখা যেতে পারে। তবে তার আগে বিস্তর আলাপ-আলোচনা করতে হবে। তবে ওয়াকার ইউনুস ওসব আলোচনায় যেতে চান না। তার মতে, বলে থুতু দেওয়া বা ঘাম লাগানো ক্রিকেটারদের এতটাই অভ্যাস হয়ে গেছে যে, তা বন্ধ করা যাবে না।
ইএসপিএনকে তিনি বলেন, ‘একজন পেসার হিসেবে আমি আইনটির সম্ভাবনা প্রত্যাখান করছি। কারণ বলে থুতু ও ঘাম লাগানো অভ্যাসগত পক্রিয়া। একটা বল অনেক হাত বদল হয়, বল নিয়ে আপনি দৌড়াবেন, ঘামবেন। সেটা বলে মাখানো কিংবা থুতু দেওয়া এটা ইচ্ছাকৃত নয়, অভ্যাসের ব্যাপার হয়ে উঠেছে। এটা এমন অভ্যাস যে, চাইলেই বদলানো যাবে না।’
ওয়াকারের বল টেম্পারিংয়ের বিপক্ষে মত দেওয়ার পেছনে কারণও আছে। তার মতে, বোলার ও অধিনায়ককে বল ঘষার জন্য আলাদা বস্তু দেওয়া হবে। এর মানে এই নয় যে, তাদের ঘাম মাখানো কিংবা বলে থুতু দেওয়া থেকে নিবৃত্ত করা যাবে।’
তবে সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার অ্যালান বর্ডার এর পক্ষে। তিনি ২০০০ সালের দিকে বল টেম্পারিং একটা পর্যায় পর্যান্ত বৈধ করা উচিত বলে প্রতিবেদনও খেলেন। বিশেষত এসজি বল অনেক ঘষেও পেসাররা সুইং পান না উল্লেখ করে এর একটা কার্যকর পথ খুঁজে বের করা দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।