মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে লড়াকু পুঁজি বাংলাদেশের
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬ | ১৫:১৫ | আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ | ১৫:৪৮
দীর্ঘ চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে নিজের প্রত্যাবর্তন ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের বিপদের মুহূর্তে ব্যাট করতে নেমে খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা এক ইনিংস। তার ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াকু পুঁজি সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার সাইফ হাসান বিদায় নিলে শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৯১ বলে ৯৬ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি তুলে নিয়ে ৪১ বলে ৫৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নেন তানজিদ তামিম।
অন্য প্রান্তে শান্ত তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ হাফ সেঞ্চুরি। তবে তিনে নামা লিটন কুমার দাস (৭) থিতু হতে পারেননি। শান্তও ইনিংস বড় করতে না পেরে ৬৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। আচমকা দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে একপর্যায়ে বেশ বিপদে পড়েছিল টাইগাররা।
পঞ্চম উইকেটে হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে ৭৫ রানের জুটি গড়েন মোসাদ্দেক। এই জুটিতে মোসাদ্দেক আক্রমণাত্মক খেললেও হৃদয় ছিলেন বেশ ধীরগতির। ৫১ বল খেলে মাত্র ৩১ রান করে হৃদয় আউট হওয়ার পর মিডল-অর্ডারে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানভীর ইসলামরাও বলার মতো কিছু করতে পারেননি।
তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে অজি বোলারদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন মোসাদ্দেক। ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরিকে রূপ দেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে। ওয়ানডেতে নিজের আগের সর্বোচ্চ (৫২*) রানকে ছাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ৭০ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এই অলরাউন্ডার। শেষ দিকে লোয়ার-অর্ডারে তাসকিন আহমেদ ১৬ বলে ২০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে মোসাদ্দেককে দারুণ সঙ্গ দেন।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাথান এলিস। তিনি একাই শিকার করেন ৩টি উইকেট। এ ছাড়া ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট ২টি করে এবং জাভিয়ের বার্টলেট ১টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২৮৫ রান।