ঢাকা রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

জাপান জিতলে অবাক হবো না

জাপান জিতলে অবাক হবো না
×

জিকো, ব্রাজিলের সাবেক ফুটবলার

জিকো, ব্রাজিলের সাবেক ফুটবলার

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬ | ১৪:০৯

বিশ্বকাপে আগের দুই আসরে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়াটাই বুঝিয়ে দিচ্ছে জাপান ফুটবলে কতটা এগিয়েছে। জাপান এখন যে কোনো দলের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। গত কয়েক বছরে তারা ব্রাজিল, জার্মানি, স্পেন ও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে।

যে দলের বিপক্ষেই তাদের ম্যাচ হোক, তারা সত্যিকার অর্থেই তৈরি থাকবে। দলটি অবশ্যই টেকনিক্যালি অনেক উন্নতি করেছে। কিন্তু জাপানের জন্য সবসময়ই মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টিই বড় ইস্যু। কীভাবে প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে হয়, সেটা এখন খেলোয়াড়রা জানে এবং ম্যাচে পিছিয়ে পড়লে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে থাকে।

বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো জাপান ও ব্রাজিলের সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। ২০০৬ আসরে দল দুটি প্রথমবার বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছিল, যে ম্যাচে সেলেসাওরা ৪-১ গোলে জয় তুলে নিয়েছিল। ওই ম্যাচে আমি জাপান দলের কোচ ছিলাম। এটা অবশ্যই আবেগময় ম্যাচ ছিল।

আগেই আমি দলকে বলেছিলাম ম্যাচ শুরুর আগমুহূর্তে আমি ব্রাজিলের জাতীয় সংগীত গাইব, যেমনটি আমি স্কুল জীবনে গাইতাম। কিন্তু ম্যাচে বল মাঠে গড়ানো মাত্রই আমি জাপানের পক্ষে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছিলাম। তখন আমার দিদির (ওয়ালদিয়র পেরেইরা) কথা মনে পড়ছিল। যিনি ব্রাজিলের জার্সি গায়ে দুটি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন আবার ১৯৭০ বিশ্বকাপে পেরুর কোচ হিসেবে সেলেসাওদের বিপক্ষে ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন। এটা আসলেই কঠিন কাজ ছিল।

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর আর কখনও আসর থেকে ছিটকে পড়েনি জাপান। দেশটি ফুটবলে অনেক এগিয়ে গেছে। ব্রাজিল বা লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের মতো জাপানের খেলোয়াড়রা ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে ডাক পাচ্ছে। 

ব্রাজিল ও জাপান উভয় দলের কোচকেই (আনচেলত্তি ও মরিয়াসু) আমি ভালোভাবে চিনি। খেলোয়াড় জীবনে দুজনই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ছিলেন। তাদের বিপক্ষে আমার খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারা কখনও প্রতিপক্ষের সঙ্গে নোরাংভাবে খেলতেন না। তারা পরিচ্ছন্ন খেলতেন এবং দারুণ কৌশলী ছিলেন।

আরও পড়ুন

×