ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

নরওয়ের বিদায়ের পর কোন দলকে সমর্থন দিচ্ছেন হালান্ড?

নরওয়ের বিদায়ের পর কোন দলকে সমর্থন দিচ্ছেন হালান্ড?
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬ | ১৫:৩১ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ | ১৫:৩২

চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালেই থেমেছে নরওয়ের স্বপ্নযাত্রা। অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় দলটি। নিজের দলের স্বপ্নভঙ্গ হলেও টুর্নামেন্টের বাকি অংশে নিরপেক্ষ থাকতে চাইছেন না নরওয়ের সবচেয়ে বড় তারকা আর্লিং হালান্ড। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডকেই সমর্থনের কথা জানিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিন।

মিয়ামিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে হালান্ডের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি টুর্নামেন্টের বাকি অংশে কোনো দলকে সমর্থন করবেন কি-না! এর জবাবে নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘হ্যাঁ, কেন নয়? ইংল্যান্ড দলে আমার দুই ম্যানসিটি সতীর্থ খেলছেন সেটা সত্য। কিন্তু ফ্রান্স ও স্পেন দলেও আমার সতীর্থ আছেন। আমি অবশ্যই চাই তারা সফল হোক।’

কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেই নরওয়ের বিশ্বকাপ স্বপ্নযাত্রা শেষ হয়েছে। তবু আবেগের জায়গা থেকে ইংল্যান্ডকেই খানিকটা এগিয়ে রাখছেন ম্যানসিটির এই তারকা। তিনি বলেন, ‘আমি ইংল্যান্ডে বেড়ে উঠেছি। ছোটবেলায় নরওয়ের জার্সি পাওয়ার আগেই আমার কাছে ইংল্যান্ডের একটি জার্সি ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের প্রতি আমার আলাদা টান রয়েছে। এটা আমার জন্য বিশেষ একটি দেশ।’

এ সময় জোড়া গোল করে নরওয়েকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেওয়া জুড বেলিংহামকেও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন হালান্ড। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সাবেক এই সতীর্থ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুড একজন ভালো বন্ধু। ডর্টমুন্ডে আমরা দারুণ দুটো বছর কাটিয়েছি। আমরা খুব ভালো বন্ধু এবং ও খুবই ভালো একজন মানুষ।’

হলান্ডের ভাষায়, বেলিংহামের পারফরম্যান্সে তিনি মোটেও অবাক হননি। বরং তাকে ঘিরে হওয়া সমালোচনাই হালান্ডকে বেশি অবাক করে। তিনি বলেন, ‘সে অবিশ্বাস্য এবং ইংল্যান্ড ভাগ্যবান। কারণ জুডের মতো একজন খেলোয়াড়কে সবাই নিজেদের দলে পেতে চায়।’

ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে আগামী ১৬ জুলাই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় আটলান্টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

হালান্ডের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক নতুন নয়। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের লিডসে তার জন্ম। সে সময় তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। তবে মাত্র তিন বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে নরওয়ে ফিরে যান তিনি। তবুও ইংল্যান্ডের প্রতি তার শৈশবের সেই আবেগ আজও রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

×