ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী

ভাঙা মন নিয়ে মুখোমুখি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড

ভাঙা মন নিয়ে মুখোমুখি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
×

 স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ০৯:১১ | আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ১১:৪৮

| প্রিন্ট সংস্করণ

এই ম্যাচটি আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেক দিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। সেমিফাইনালে হেরে শিরোপা স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর ওই টুর্নামেন্টে আবার মাঠে নামার মানসিকতা খেলোয়াড়দের থাকে না। কোনো রাখঢাক না রেখেই সেমিতে হারের পর বিষয়টি স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল, ‘আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই ম্যাচটা খেলতে চায় না। ফ্রান্সের খেলোয়াড়রাও না। সবাই চায় ফাইনাল খেলতে।’

এরপরও নিয়ম রক্ষার এই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আজ শনিবার দিবাগত রাত ৩টায় মায়ামিতে মুখোমুখি হবে সেমির দুই পরাজিত দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।

দলগুলোর পাশাপাশি দর্শকদেরও এই ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ খুব কম থাকে। এই ম্যাচে গ্যালারি ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। টিভিতেও এই ম্যাচের দর্শক তেমন পাওয়া যায় না। তবে এবারের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অন্তত চারজন খেলোয়াড়ের কাছে একেবারে গুরুত্বহীন নয়। কারণ, এই ম্যাচের গোল যোগ হয় টুর্নামেন্টের মোট গোল সংখ্যায়। অর্থাৎ, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও গোল্ডেন বুটের হিসাবে ধরা হয়।

এবারের বিশ্বকাপে ৮ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে একটি অ্যাসিস্ট বেশি থাকায় শীর্ষে আছেন মেসি। ৭ গোল নিয়ে নরওয়ের আর্লিং হালান্ড তৃতীয় স্থানে আছেন। তাঁর দল যেহেতু টুর্নামেন্ট থেকে অনেক আগেই ছিটকে গেছে, তাই তাঁর আর গোল বাড়ানোর সুযোগ নেই।

ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম ৬টি করে গোল নিয়ে তাদের পেছনে আছেন। তাই লড়াইয়ে তারা আছেন। ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে ও স্পেনের মিকেল ওয়াইরসাবাল ৫টি করে গোল করেছেন। তাই আজকের ম্যাচে তৃতীয় স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি গোল্ডেন বুট নির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গোল্ডেন বুট নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে। সাতজন গোল্ডেন বুটজয়ী এই ম্যাচে গোল করেছিলেন। তাদের মধ্যে জার্মানির টমাস মুলার (২০১০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকের (১৯৯৮), ইতালির সালভোতর শিলাচি (১৯৯০) ও ব্রাজিলের লিওনিদাস (১৯৩৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করার সুবাদেই শেষ পর্যন্ত গোল্ডেন বুট পেয়েছিলেন। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে ৫ ম্যাচে ৩টি জিতেছে ফ্রান্স। ইংল্যান্ডের জয় ১টি এবং অপর ম্যাচটি ড্র হয়েছে।

আরও পড়ুন

×