উদ্বোধনের অপেক্ষায় 'বঙ্গবন্ধু বিপিএল'
ছবি: ফাইল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৫:৪১
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা শুরু হবে ১০ জানুয়ারি। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ হবে বঙ্গবন্ধু বর্ষ। বছরজুড়েই হবে নানা অনুষ্ঠান। বিসিবি এক্ষেত্রে কিছুটা এগিয়ে থাকছে। 'বঙ্গবন্ধু বিপিএল' টি২০ টুর্নামেন্ট দিয়ে আগেই জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু করছে তারা। রোববার জাঁকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সন্ধ্যায় বাটন চেপে উদ্বোধন ঘোষণা করবেন তিনি।
দেশি-বিদেশি শিল্পী ও কলাকুশলীরা উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মঞ্চ মাতাবেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা গান 'শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি আকাশে বাতাসে ওঠে রণি... বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ।' পরিবেশন করবেন সনু নিগম।
বিবিপিএলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের ব্যাপ্তি প্রায় পাঁচ ঘণ্টার, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। দেশের শিল্পীরা পরিবেশন করবেন অনুষ্ঠানের প্রথমাংশে। 'দি রকস্টার' ব্যান্ডের মঈনুল ইসলাম খান শুভকে দিয়ে পারফরম্যান্স শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে রেশমি মির্জা, জেমস ও মমতাজ সংগীত পরিবেশন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন। উদ্বোধন ঘোষণার পরই আতশবাজির ফোয়ারায় বর্ণিল হবে মিরপুরের আকাশ। এর পরই শুরু অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব ভারতীয় শিল্পী সনু নিগমের সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। ক্যাটরিনা কাইফ ও সালমান খানের পারফরম্যান্স উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শেষ আকর্ষণ।
জমকালো এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের জন্য ভালোই খরচ করতে হচ্ছে বিসিবিকে। বেশিরভাগ অর্থ স্পন্সর থেকে পাওয়া গেছে। বাকিটা বিসিবির তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে। একে তো তিন বছর পর হচ্ছে উদ্বোধন অনুষ্ঠান তার ওপর বঙ্গবন্ধুর নামে হচ্ছে বিপিএল, তাই অনুষ্ঠান বড় পরিসরে করার একটা দায়বদ্ধতা থাকে। তবে এই জাঁকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠান মাঠে বসে দেখার সুযোগ সাধারণ দর্শক পাবেন না। মাঠের পূর্ব দিকে মঞ্চ করায় পূর্ব গ্যালারিতে দর্শক থাকছে না।
উদ্বোধন রোববার হলেও বিপিএল শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর থেকে। শেষ হবে ১৮ জানুয়ারি ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে। সাত দলের টুর্নামেন্টের ছয়টির স্পন্সর পাওয়া গেছে। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের সম্পূর্ণ খরচ বহন করছে বিসিবি। বাকি ছয় দলকেও ভর্তুকি দিতে হবে বোর্ডের। কারণ প্রতিটি স্পন্সরের কাছ থেকে পাওয়া গেছে সাড়ে চার কোটি টাকা করে; কিন্তু প্রতিটি দলেরই খরচ হবে আট থেকে নয় কোটি টাকা। ফ্র্যাঞ্চাইজিবিহীন বিপিএলের সফল আয়োজনের চেষ্টা করছে বিসিবি।
- বিষয় :
- খেলা
- ক্রিকেট
- বঙ্গবন্ধু বিপিএল-২০১৯
- বাংলাদেশ
