আগামীর জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হলো সুরক্ষা
টেকলাইফ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৪২
সব ধরনের কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাতে (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপো ও অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো।
নগরায়ণ, দ্রুত শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন অব্যাহত থাকায় কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও অগ্নিঝুঁকি এড়াতে প্রযুক্তি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বাড়ছে। এ প্রদর্শনী সেই প্রয়োজনীয়তা পূরণে শিল্প খাতের জন্য নব্য ধারার প্রযুক্তি ও সমাধান খুঁজে নেওয়ার দৃশ্যমান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
১০টি দেশের দেড় শতাধিক ব্র্যান্ড এ আসরে অংশ নেবে। বিসিএস সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, সুরক্ষিত ও প্রযুক্তিকেন্দ্রিক আগামীর জন্য সর্বাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ সময়ে প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে বাড়ছে নিরাপত্তার সংশয়।
এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি, সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এবার প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি অনেক সংস্থা তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পণ্য সামনে আনবে। দর্শনার্থীরা নতুন ধারণার টেক গ্যাজেট জানা ও প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন।
আই-স্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মধু সুদন সাহা বলেন, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপোতে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থাপনার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে থাকবে সার্ভিল্যান্স ও মনিটরিং সিস্টেম, সাইবার সিকিউরিটি, অ্যাকসেস কন্ট্রোল, বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি, সিকিউরিটি সফটওয়্যার, নেটওয়ার্কিং সুইচ, ডিজিটাল ভল্ট ও সরকারি-বেসরকারি খাতের বেশ কিছু আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও সমাধান।
শিল্প খাত ও প্রযুক্তির সংযোগ
সুপরিচিত দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের অংশগ্রহণে আয়োজিত দুটি প্রদর্শনীতে নির্মাতা সংস্থা, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, ডিস্ট্রিবিউটর, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এবার যা থাকছে
উদ্যোক্তারা বলছেন, শুধু পণ্য প্রদর্শন নয়; এবারে নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিল্প খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ কিছু সেমিনার হবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তির সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ ও সুরক্ষা খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ও কার্যকর সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে।
দর্শনার্থীরা সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সরাসরি উপভোগ করার সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা খাতের পরিবর্তনশীল প্রবণতা জানতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যবসার মানোন্নয়নে কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা নিরাপদ, সুরক্ষিত, ঝুঁকিমুক্ত কর্মপরিবেশ ও জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারে– এ বিষয়ে দৃশ্যমান ধারণা পাবেন বলে জানানো হয়। তিন দিনের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি ও হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো প্রদর্শনী দুটির উদ্যোক্তা আই-স্টেশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। ১৯ সেপ্টেম্বর এই এক্সপো শেষ হবে।
- বিষয় :
- টেকলাইফ