ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বৈশাখী উৎসব

জনপদের জলঘড়ি থেকে সুলতানের দরবারে বৈশাখ

আজকের দিনের মতো সময়ের হিসাব তখন ছিল না। ঘড়ি নেই। সময় মাপার যন্ত্র নেই। আছে শুধু সূর্যের ছায়া। সূর্যের অবস্থান দেখে দিনকে ভাগ করা হতো। সূর্য মাথার ওপর মানে দুপুর। বড় জনপদের রাজদরবারে থাকত ‘জলঘড়ি। জলঘড়ির ছিদ্র দিয়ে পানি ঢুকতে সময় লাগত তিন ঘণ্টা। একে বলা হতো এক ‘প্রহর’। তখন আট প্রহরে এক দিন হতো। রাতের বেলা প্রহরীরা শঙ্খ বাজিয়ে সময় বলত। প্রাচীন জনপদে তারিখকে ‘তিথি’ বলা হতো। আর তিথি ঠিক হতো চাঁদ দেখে। কখনও ১৯ আবার কখনও-বা ২৬ ঘণ্টায় এক তিথি। এ জন্য অনেক সময় একই দিনে দুই তিথি আবার একই তিথি দুই দিনের অংশ হতো।

আপডেটঃ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:০৯
জনপদের জলঘড়ি থেকে সুলতানের দরবারে বৈশাখ

রমনার বটমূলে বর্ষবরণ এবং সংস্কৃতি, প্রতিরোধ ও আত্মপরিচয়

ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সাধারণত সূর্যোদয়ের সঙ্গে শুরু হয়—এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন রাতের অন্ধকার ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় এবং আলো নতুন দিনের সম্ভাবনা নিয়ে এসে দাঁড়ায়। রমনা বটমূলের প্রভাতে, প্রথম সূর্যকিরণ যখন বটগাছের পাতায় ঝিলমিল করে ওঠে, তখনই শুরু হয় সংগীতের এক অপার্থিব পরিবেশনা, যা শুধু শোনা যায় না—অনুভব করা যায়। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সম্মিলিত কণ্ঠে এসো হে বৈশাখ—যার স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই গান যেন এক সাংস্কৃতিক আহ্বান—পুরোনো ক্লান্তি, জড়তা ও অশুভকে ঝেড়ে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবনকে গ্রহণ করার প্রতিজ্ঞা। এর সুরে থাকে শুদ্ধতা, কথায় থাকে পুনর্জাগরণের বাণী। এরপর পর্যায়ক্রমে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লোকসংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য। প্রতিটি পরিবেশনা যেন এক একটি অনুভবের দরজা—কখনো প্রকৃতির রূপ, কখনো প্রেমের গভীরতা, কখনো মানবতার আবেদন, আবার কখনো প্রতিবাদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়। এই পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম নান্দনিকতায় বিন্যস্ত—যেখানে প্রতিটি সুর, শব্দ ও ভঙ্গিমা একে অপরের সঙ্গে সংলাপে যুক্ত হয়ে তৈরি করে এক সমন্বিত সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা, যা প্রভাতকে রূপ দেয় এ

আপডেটঃ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫:৫৫
রমনার বটমূলে বর্ষবরণ এবং সংস্কৃতি, প্রতিরোধ ও আত্মপরিচয়

সর্বশেষ