১০ বছরের সাজা এড়াতে ২৩ বছর পলাতক ছিলেন সাত্তার
পুলিশের সঙ্গে আব্দুস সাত্তার
রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ০৭ মে ২০২২ | ০৬:৩৫ | আপডেট: ০৭ মে ২০২২ | ০৬:৩৫
দশ বছরের সাজা এড়াতে ২৩ বছর আত্মগোপনে ছিলেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার আব্দুস সাত্তার। পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতের মুর্শিদাবাদে। কিন্তু এতেও শেষ রক্ষা হয়নি। গোপনে দেশে আসতেই গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।
রাজশাহীর তানোর থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঘুঘুডিমা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সাজাপ্রাপ্ত আব্দুস সাত্তার (৬০) তানোর উপজেলার কিসমত বিল্লি গ্রামের গরিবুল্লাহর ছেলে। তিনি এলাকার কুখ্যাত ডাকাত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৯ সালের ৯ মার্চ ডাকাতির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। পুলিশ তার বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে। পরে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা ডাকাতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু মামলার পর থেকেই সাত্তার ডাকাত পলাতক ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতেই সাজা হয়।
দীর্ঘ ২৩ বছর ভারতে থাকার পর কিছুদিন আগে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঘুঘুডিমা গ্রামে মেয়ে নার্গিস আক্তারের বাড়িতে গোপনে বেড়াতে আসেন। পুলিশ গোপনে খবর পেয়ে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
রাজশাহীর পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, সাত্তার ডাকাত ভারতেই পালিয়ে ছিলেন। তানোর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
- বিষয় :
- রাজশাহী
- তানোর
- সাজা
- সাত্তার ডাকাত
