কক্সবাজারকে 'ব্যয়বহুল' শহর ঘোষণা
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:৩৭ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:৩৮
পর্যটন শহর কক্সবাজারকে 'ব্যয়বহুল' শহর হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে এ শহরে দায়িত্বপালনরত সরকারি চাকরিজীবীরা এখন থেকে মহানগরের সমান হারে বিভিন্ন ভাতা পাবেন। বাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাড়বে তাদের।
সোমবার কক্সবাজার শহর ও পৌর এলাকাকে 'ব্যয়বহুল' স্থান ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি, বাড়ি ভাড়া, যানবাহন ভাড়া, খাদ্য, পোশাক সামগ্রীসহ অন্যান্য ভোগ্যপণের মূল্য বিবেচনায় সরকার এ ঘোষণা দিয়েছে। অবিলম্বে সরকারের এ আদেশ কার্যকর হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঢাকাসহ দেশের ব্যয়বহুল এলাকাগুলোতে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পেয়ে থাকেন। এখন কক্সবাজারের চাকরিজীবীরাও তা পাবেন। বর্তমানে এই হার ৪৫ শতাংশ। এ ছাড়া টিএ-ডিএসহ আরও কিছু সুবিধা বাড়বে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে কপবাজারের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) দেওয়া প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মূলত এ সিদ্ধান্ত।ওই সম্মেলনেক ক্সবাজারের ডিসি বলেছিলেন, বাস্তুচ্যুত হয়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা কপবাজারে আসার পর সেখানে দেশি-বিদেশি অসংখ্য বেসরকারি সংস্থা কাজ শুরু করে। এর ফলে কক্সবাজারে থাকা-খাওয়ার খরচ বেড়ে গেছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর আর্থিক চাপ পড়ছে। এ বিবেচনায় কপবাজার শহরকে ব্যয়বহুল শহর ঘোষণার প্রস্তাব করেন তিনি। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেন। এখন অর্থ বিভাগ আর্থিক বিষয়গুলো নির্ধারণ করবে।
কক্সবাজারের ডিসি কামাল হোসেন সমকালকে বলেন, এ এলাকায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে। ফলে এখানে বাড়ি ভাড়া, নিত্যপণ্যের দামসহ অনেক কিছুর দাম বেড়ে গেছে। বাড়ি ভাড়া অনেক ক্ষেত্রে ঢাকার চেয়েও বেশি।
বর্তমানে দেশের বিভাগীয় শহর ছাড়াও কয়েকটি এলাকা সরকারি হিসেবে ব্যয়বহুল। তবে ময়মনসিংহ বিভাগ হলেও এখনও ব্যয়বহুল শহর হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। এ ছাড়া ঢাকার পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ জেলা, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকা এবং সাভার পৌর এলাকা সরকারি হিসেবে ব্যয়বহুল।
- বিষয় :
- ব্যয়বহুল শহর
- কক্সবাজার
- চট্টগ্রাম
